{{ news.section.title }}
দুধ পান করার দোয়া
- Author, জাগরণ নিউজ ডেস্ক
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
দুধ পানের অসংখ্য উপকারিতা রয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, দুধ শরীরের পেশিশক্তি বাড়ায়, হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে। নিয়মিত দুধ পানে ত্বকের উজ্জ্বলতাও বৃদ্ধি পায়। দুধে রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ, যেমন ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম এবং রিবোফ্লেভিনের অপূর্ব সমন্বয়।
আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেন, “আর গবাদি পশুর ভিতরে তোমাদের জন্য আছে অবশ্যই শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত। তাদের পেটে যা আছে, তাত থেকেই আমি তোমাদেরকে পান করাই (দুধ) আর তাতে তোমাদের জন্য আছে বহুবিধ উপকার। তোমরা তাত থেকেই খাও (গোশত)।” (সূরা মুমিনুন: ২১)
অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, “তোমাদের জন্যে চতুস্পদ জন্তুদের মধ্যে চিন্তা করার অবকাশ রয়েছে। আমি তোমাদেরকে পান করাই তাদের উদরস্থিত বস্তুসমূহের মধ্যে থেকে গোবর ও রক্ত নিঃসৃত দুগ্ধ, যা পানকারীদের জন্যে উপাদেয়।” (সূরা নাহল, আয়াত: ৬৬)
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও দুধ পান করতে পছন্দ করতেন। ইমাম তিরমিযি রহ. এর বর্ণিত একটি হাদিস থেকে জানা যায়, দুধ ছিলো রাসুলুল্লাহ সা. এর সবচেয়ে প্রিয় পানীয়ের মধ্যে একটি। তিনি বলেন, “দুধ ছাড়া অন্য কোনো পানীয়ের মধ্যে খাদ্য ও পানীয়ের উপাদান একসাথে পাওয়া যায় না।”
হজরত জিবরাঈল আলাইহিস সালাম মেরাজের রাতে রাসুলুল্লাহর (সা.) সামনে দুটি পানীয় পেশ করেছিলেন—একটি দুধ এবং অন্যটি মধু। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুধ গ্রহণ করেছিলেন।
রাসুলুল্লাহ সা. কখনোই দুধের হাদিয়া ফেরাতেন না। হাদিসে এসেছে, ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, “রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তিনটি বস্তু ফিরিয়ে দেয়া যায় না—বালিশ, সুগন্ধি তেল বা সুগন্ধি দ্রব্য এবং দুধ।” (তিরমিজি)
দুধ পান করার পর নবীজি সা. একটি বিশেষ দোয়া পাঠ করতেন। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সা. বলেন, যখন তোমরা কেউ দুধ পান করবে, এই দোয়া পাঠ করবে:
اَللَّهُمَّ بَاركْ لنَا فِيْهِ وَزِدْنَا مِنْهُ
উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফিহি ওয়াজিদনা মিনহু।’
অর্থ: হে আল্লাহ! এই খাবারে আমাদের বরকত দিন এবং তা বাড়িয়ে দিন। (আবু দাউদ: ৩৭৩২)