{{ news.section.title }}
চীনে ফুটবল দুর্নীতি ৭৩ জন আজীবন নিষিদ্ধ
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
ম্যাচ ফিক্সিং, ঘুষ গ্রহণ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে চীন। গতকাল দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের ফলশ্রুতিতে চীনের সাবেক জাতীয় কোচ লি তিয়ে এবং চাইনিজ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (সিএফএ) সাবেক সভাপতি চেন শুয়ুয়ানসহ মোট ৭৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে ফুটবল থেকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের ৯টি ক্লাবের বিরুদ্ধে পয়েন্ট কর্তন ও আর্থিক জরিমানার শাস্তিও ঘোষণা করা হয়েছে। সিএফএর এক কর্মকর্তা বলেন, কার্যকর বিচারিক রায়ে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় লি তিয়ে ও চেন শুযুয়ানসহ সংশ্লিষ্ট ৭৩ জনের ফুটবলসংক্রান্ত যে কোনো কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে আজীবন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। নিষিদ্ধদের মধ্যে কোচ, কর্মকর্তা ও ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা রয়েছেন।
এর আগে ২০২৪ সালে, ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত জাতীয় দল পরিচালনা করা লি তিয়ে এবং সিএফএর সাবেক সভাপতি চেন শুয়ুয়ান কয়েক মিলিয়ন ডলার ঘুষ গ্রহণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন। আদালতের রায়ে লি তিয়েকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং চেন শুয়ুয়ানকে দেওয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
দুর্নীতির প্রভাব পড়েছে চাইনিজ সুপার লিগেও। অনিয়মে জড়িত থাকায় শীর্ষ পর্যায়ের ৯টি ক্লাবের পয়েন্ট কর্তন ও মোটা অঙ্কের জরিমানা করা হয়েছে। গত মৌসুমে দ্বিতীয় হওয়া শাংহাই শেনহুয়া ও তিয়ানজিন জিনমেন টাইগার্স সবচেয়ে বেশি শাস্তি পেয়েছে। ক্লাব দুটির ১০ পয়েন্ট কেটে নেওয়ার পাশাপাশি প্রত্যেককে ১০ লাখ ইউয়ান (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা) জরিমানা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বর্তমান চ্যাম্পিয়ন শাংহাই পোর্ট ২০২৬ মৌসুম শুরু করবে পাঁচ পয়েন্ট কর্তন নিয়ে। সিএফএ এক বিবৃতিতে জানায়, প্রতিটি ক্লাবের অনিয়মের ধরন, গুরুত্ব ও সামাজিক প্রভাব বিবেচনায় নিয়েই শাস্তি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্নীতির বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি বজায় রাখার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে সংস্থাটি।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ৪৩ জন কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়কে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সামপ্রতিক সময়ে চীন দুর্নীতির বিরোদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। কোচ ও ফেডারেশন গুলোর বিরোদ্ধে নেওয়া এই পদক্ষেপ ইতিহাস হয়ে থাকবে।