{{ news.section.title }}
শবে বরাতে হালুয়া রুটি খাওয়া জায়েজ কি না?
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
শবে বরাত ফার্সি শব্দ। শব অর্থ রাত। বরাত অর্থ মুক্তি। আগামী কাল ৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বাংলাদেশে শবে বরাতের রাত উৎযাপন করবে লাখো লাখো ধর্মপ্রাণ মুসলিম গোষ্ঠী। এ রাতে মহান আল্লাহ তায়ালা আকাশে অবতরণ করেন এবং বলেন কে আছে আমার বান্দা যে মুক্তি ক্ষমা চাইবে আমি তাকে ক্ষমা করে দিব
এ রাতে আল্লাহ আমাদের পাপ মোচন করে দেন যা আমাদের জন্য মহা আনন্দে সংবাদ। এই আনন্দ থেকে অনেক দেশে মিষ্টি বিতরণ করে আসছে বলে জানা যায়। আমাদের উপমহাদেশে ১৬-১৮ শতকে মোগল আমলে হালুয়া রুটির আগমন ঘটে। আস্তে আস্তে সমস্ত ভারত বর্ষে হালুয়া রুটির প্রচলন শুরু হয়। সেখান থেকে বাংলায় সুফি দরবেশ ভাবাদর্শের অনুসারীরা এ দেশে হালুয়া রুটির প্রচলন ঘটায়।
এক সময় পাড়া মহল্লায় রুটি মিষ্টি হালুয়া বিতরণ করতে থাকে।তারপর বাকিটা ইতিহাস। আজকে হালুয়া রুটি মুসলমান সমাজের সংস্কৃতির অংশ হয়ে পড়েছে। তেমনি ভাবে আমাদের দেশে ও শবে বরাতের রাতে হালুয়া রুটি বিতরণ করার প্রচলন ঘটে৷এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই রাতে হালুয়া রুটি খাওয়া অথবা বিতরণ করা ইসলামের দৃষ্টিতে জায়েজ কি না।
ইসলামে এমন কোন নির্দেশ নেই যে শবে বরাতের রাতে হালুয়া রুটি তৈরি করে খেতে হবে, প্রতিবেশী কে দিতে হবে। তবে এই দিনে নিজেরা হালুয়া রুটি খেতে ও কোন সমস্যা নেই। কিন্তু এটা কে ইবাদত মনে করে য আজকের রাতে হালুয়া রুটি দিতেই হবে,না দিলে পাপ হবে এমনটা ভাবে একদমই ঠিক হয়নি। কেউ যদি এটা কে ফরজ মনে করে তাহলে বেদাত হবে।
তবে কেউ যদি দান খয়রাত করে গরীব-দুঃখীদের মধ্যে খাওয়ার ব্যবস্থা করে তাহলে ভালো কাজ হিসেবে গণ্য হবে। তবে ইসলামে কোন বাধ্যবকতা নেই। অধিকাংশ ইসলামি গবেষক এই কথা বলেছেন, যে এমন কোন হাদিস, প্রমান পাওয়া যায়নি যে শবে বরাতের রাতে মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) এবং সাহাবীরা বিশেষ খাবারের আয়োজন করেছিল। তাই বলা যায় শবে বরাতের রাতে হালুয়া রুটি খাওয়া কে ফরজ মনে করা ইসলামে জায়েজ নয়।