{{ news.section.title }}
১১ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আবারও ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ রোববার (১৭ মে) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া বিশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ১১ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা কিংবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, পাবনা, বগুড়া, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম কিংবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে বজ্রপাতের ঘটনাও ঘটতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চল, মধ্যাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে দুপুরের আগেই আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ কারণে নদীপথে চলাচলকারী নৌযানগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, মে মাসজুড়ে দেশে কালবৈশাখী ধরণের ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকে। গরম আবহাওয়া, বাতাসে আর্দ্রতা এবং পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে এই সময় আকস্মিক ঝড় তৈরি হয়। এতে অনেক সময় স্বল্প সময়ের মধ্যে তীব্র দমকা হাওয়া, বজ্রপাত ও ভারী বর্ষণ দেখা দেয়।
অন্যদিকে শনিবার প্রকাশিত ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সোমবার (১৮ মে) ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু এলাকায়ও অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে খুলনা ও বরিশাল বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলক কম থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলতি সময়ে বজ্রপাতের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তাই খোলা মাঠ, নদী বা উঁচু স্থানে অবস্থান না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ঝড়ের সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
এদিকে দেশের বিভিন্ন স্থানে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও ভ্যাপসা গরম এখনো পুরোপুরি কমেনি। বৃষ্টির পর কোথাও কোথাও সাময়িক স্বস্তি মিললেও আর্দ্রতার কারণে অস্বস্তি অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।