{{ news.section.title }}
কেন একাকিত্বে ডুবে যাচ্ছে বর্তমান প্রজন্মের ছেলেরা? নেপথ্যের কারণ ও সামাজিক প্রভাব
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
একাকিত্ব মানে শুধু একা থাকাই নয়। অনেক সময় ভিড়ের মাঝেও মানুষ ভয়াবহভাবে একা থাকতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে এই বাস্তবতাটি সবচেয়ে নিঃশব্দে, কিন্তু গভীরভাবে আঘাত করছে, বিশেষ করে ছেলেদের জীবনে। বাইরে থেকে স্বাভাবিক, দায়িত্বশীল, কর্মঠ বা শক্ত মনে হলেও ভেতরে ভেতরে অনেক পুরুষ দীর্ঘদিন ধরে একাকিত্ব ও মানসিক বিচ্ছিন্নতার ভার বহন করছেন, যা খুব কমই প্রকাশ পায়,আর কমই আলোচনায় আসে।
ছেলেদের একাকিত্ব আজ আর ব্যক্তিগত সমস্যা নয়, এটি ধীরে ধীরে একটি সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ইস্যুতে পরিণত হচ্ছে।
একাকিত্ব কী, আর বিচ্ছিন্নতা কী?
একাকিত্ব (Loneliness) এবং বিচ্ছিন্নতা (Social Isolation) এক নয়, তবে এই দুটি পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। একাকিত্ব হলো একটি মানসিক অনুভূতি। যখন মানুষ মনে করে, তাকে বোঝার কেউ নেই, সে আবেগগতভাবে একা। আর বিচ্ছিন্নতা হলো বাস্তব সামাজিক যোগাযোগের অভাব। বন্ধু, পরিবার বা সমাজের সঙ্গে কম যোগাযোগ হওয়া। অনেক ছেলের ক্ষেত্রে এই দুটো একসাথে কাজ করে। বাইরে যোগাযোগ থাকলেও ভেতরে থাকে তাদের গভীর শূন্যতা কাজ করে।
ছেলেদের একাকিত্ব কেন বাড়ছে?
১) ছেলে মানেই শক্ত,এই সামাজিক ধারণা শৈশব থেকেই ছেলেদের শেখানো হয়। কাঁদবে না, দুর্বলতা দেখাবে না, সমস্যার কথা বলবে না ইত্যাদি শুনে, দেখে তারা বড় হয়। ফলে বড় হয়ে অনেক পুরুষ আবেগ প্রকাশকে দুর্বলতা মনে করেন। তারা কষ্টে থাকলেও চুপ থাকেন। এই চুপ থাকাই একসময় একাকিত্বে রূপ নেয়।
২) আবেগ ভাগ করার জায়গার অভাববোধ! অনেক মেয়ের ক্ষেত্রে বন্ধুদের সঙ্গে আবেগ শেয়ার করা, কথা বলে হালকা হওয়া বিষয়টি খুব স্বাভাবিক। কিন্তু ছেলেদের বন্ধুত্ব অনেকসময় কাজ, আড্ডা, মজা ইত্যাদিতে পরিপূর্ণ থাকে। গভীর আবেগ, ভয়, হতাশা বা ব্যর্থতার কথা বলার জায়গা সেখানে কম থাকে।
৩) সম্পর্ক ভাঙন ও আবেগ সামলানোর একাকী লড়াই! প্রেম বা দাম্পত্য সম্পর্ক ভেঙে গেলে অনেক ছেলের ক্ষেত্রে কথা বলার কেউ থাকে না।কষ্ট লুকিয়ে রাখতে হয় তাদেরকে। ভুলে যাও বা শক্ত হও, এই উপদেশেই আটকে যায় সব। এই চাপ দীর্ঘদিন জমতে জমতে মানসিক বিচ্ছিন্নতা তৈরি করে।
৪) কর্মজীবন ও দায়িত্বের চাপ! পুরুষতান্ত্রিক হিসেবে সমাজ এখনো অনেক ক্ষেত্রে ছেলেদের কাছ থেকে প্রত্যাশা করে পরিবার চালানো, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সিদ্ধান্তের ভার নেওয়া ইত্যাদি। এই দায়িত্বের চাপে ছেলেরা ধীরে ধীরে বন্ধুদের থেকে দূরে সরে যায়। নিজের জন্য রাখা সময় হারায়।সম্পর্ক রক্ষাকে দ্বিতীয় স্থানে রাখে তারা। ফলে সামাজিক পরিসর তাদের ছোট হয়ে আসে।
৫) ডিজিটাল সংযোগ, কিন্তু বাস্তব বিচ্ছিন্নতা! সোশ্যাল মিডিয়ায় হাজারো মানুষ, অথচ গভীর কথা বলার কেউ নেই। অনুভূতি প্রকাশের নিরাপদ জায়গা নেই। অনলাইন উপস্থিতি অনেক ছেলের একাকিত্ব ঢেকে রাখে, কিন্তু সারায় না।
একাকিত্ব ছেলেদের উপর কী প্রভাব ফেলে?
১) মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায়। দীর্ঘদিনের একাকিত্ব থেকে তৈরি হতে পারে দীর্ঘস্থায়ী মন খারাপ, আত্মমূল্যবোধ কমে যাওয়া, আগ্রহ হারিয়ে ফেলা ইত্যাদি। অনেক ক্ষেত্রে এটি বিষণ্নতার দিকে গড়াতে পারে।
২) রাগ, বিরক্তি ও আবেগের বিস্ফোরণ! যে আবেগ প্রকাশ পায় না, তা চাপ হয়ে জমে। ফলে দেখা যায় অকারণে রাগ, সম্পর্ক নষ্ট হওয়া, নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া ইত্যাদি। একে অনেক সময় ভুলভাবে খারাপ স্বভাব হিসেবে চিন্তা করা হয়।
৩) শারীরিক স্বাস্থ্যের প্রভাব! একাকিত্ব শুধু মনেই নয়, শরীরেও প্রভাব ফেলে।ঘুমের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, ক্লান্তি, ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হওয়া এবং মানসিক চাপ দীর্ঘদিন থাকলে শরীরও ভেঙে পড়ে।
৪) আত্মবিচ্ছিন্নতা ও ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ! কিছু ছেলের ক্ষেত্রে একাকিত্ব থেকে অতিরিক্ত ধূমপান, মাদক ব্যবহার, ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত ইত্যাদি আচরণ দেখা দিতে পারে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।
কেন ছেলেদের একাকিত্ব চোখে পড়ে না?
ছোট থেকেই আমাদের ছেলেরা শিখেছে কিভাবে মুখে হাসি ধরে রাখতে হয়, সমস্যাকে একা সামলাতে হয়, নিজের সমস্যা তো বড় করে না দেখা ইত্যাদি। সমাজও অনেক সময় ছেলেদের কষ্টকে গুরুত্ব দেয় না। ফলে একাকিত্ব চুপচাপেই বেড়ে ওঠে।
সমাধান কোথায়?
১) আবেগ প্রকাশকে স্বাভাবিক করতে হবে।ছেলেদের শেখাতে হবে কষ্টের কথা বলা দুর্বলতা নয়, সাহায্য চাওয়া লজ্জার নয়, পরিবার ও বন্ধুমহলে এই সংস্কৃতি তৈরি করা জরুরি।
২) বন্ধুত্বের ধরন বদলাতে হবে! শুধু আড্ডা নয় অনুভূতির কথাও বলা, ব্যর্থতা ও ভয় শেয়ার করা এমন বন্ধুত্ব রাখতে হবে। এমন বন্ধুত্ব একাকিত্ব কমাতে বড় ভূমিকা রাখে।
৩) নিজের জন্য সময় তৈরি করতে হবে! কাজ আর দায়িত্বের বাইরে নিজের পছন্দের কাজ, শরীরচর্চা, বই পড়া বা লেখা এসবের অনুশীলন করতে হবে। এসব আত্মসংযোগ বাড়ায়।
৪) পেশাদার সহায়তা নেওয়াকে স্বাভাবিক করতে হবে। মানসিক চাপ বা দীর্ঘ একাকিত্ব হলে কাউন্সেলিং, মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তাকে লুকানোর বিষয় না বানিয়ে, প্রয়োজনীয় যত্ন হিসেবে দেখা দরকার।
ছেলেদের একাকিত্ব কমাতে সমাজকে প্রথমেই পুরুষের আবেগকে স্বীকৃতি দিতে হবে। একাই সব সামলাতে হবে, এই চাপ কমাতে হবে। কথা বলার নিরাপদ জায়গা তৈরি করতে হবে। একজন ছেলে যখন কথা বলতে পারে, তখন সে শুধু নিজেরই নয়, আশপাশের সম্পর্কগুলোকেও বাঁচায়।
ছেলেদের একাকিত্ব চিৎকার করে আসে না, দরজায় কড়া নাড়ে না। এটি আসে নিঃশব্দে, দীর্ঘ নীরবতার ভেতর দিয়ে। বাইরে থেকে স্বাভাবিক জীবন চললেও ভেতরে জমে থাকে শূন্যতা, অব্যক্ত কষ্ট আর বিচ্ছিন্নতার ভার। এই একাকিত্ব কোনো ব্যক্তিগত ব্যর্থতা নয়। এটি সামাজিক কাঠামো, প্রত্যাশা ও নীরবতার ফল। ছেলেদের কষ্ট বোঝা, শোনা এবং গুরুত্ব দেওয়া মানে শুধু একজন মানুষকে নয়, একটি সমাজকে সুস্থ করার পথে এগোনো। একাকিত্ব কমে তখনই, যখন নির্দ্বিধায় বলা যায়, “আমি ভালো নেই”!আর সেটি পক্ষপাতহীনভাবে শোনার মতো কেউ থাকে।
একাকিত্ব কী, আর বিচ্ছিন্নতা কী?
একাকিত্ব (Loneliness) এবং বিচ্ছিন্নতা (Social Isolation) এক নয়, তবে এই দুটি পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। একাকিত্ব হলো একটি মানসিক অনুভূতি। যখন মানুষ মনে করে, তাকে বোঝার কেউ নেই, সে আবেগগতভাবে একা। আর বিচ্ছিন্নতা হলো বাস্তব সামাজিক যোগাযোগের অভাব। বন্ধু, পরিবার বা সমাজের সঙ্গে কম যোগাযোগ হওয়া। অনেক ছেলের ক্ষেত্রে এই দুটো একসাথে কাজ করে। বাইরে যোগাযোগ থাকলেও ভেতরে থাকে তাদের গভীর শূন্যতা কাজ করে।
ছেলেদের একাকিত্ব কেন বাড়ছে?
১) ছেলে মানেই শক্ত,এই সামাজিক ধারণা শৈশব থেকেই ছেলেদের শেখানো হয়। কাঁদবে না, দুর্বলতা দেখাবে না, সমস্যার কথা বলবে না ইত্যাদি শুনে, দেখে তারা বড় হয়। ফলে বড় হয়ে অনেক পুরুষ আবেগ প্রকাশকে দুর্বলতা মনে করেন। তারা কষ্টে থাকলেও চুপ থাকেন। এই চুপ থাকাই একসময় একাকিত্বে রূপ নেয়।
২) আবেগ ভাগ করার জায়গার অভাববোধ! অনেক মেয়ের ক্ষেত্রে বন্ধুদের সঙ্গে আবেগ শেয়ার করা, কথা বলে হালকা হওয়া বিষয়টি খুব স্বাভাবিক। কিন্তু ছেলেদের বন্ধুত্ব অনেকসময় কাজ, আড্ডা, মজা ইত্যাদিতে পরিপূর্ণ থাকে। গভীর আবেগ, ভয়, হতাশা বা ব্যর্থতার কথা বলার জায়গা সেখানে কম থাকে।
৩) সম্পর্ক ভাঙন ও আবেগ সামলানোর একাকী লড়াই! প্রেম বা দাম্পত্য সম্পর্ক ভেঙে গেলে অনেক ছেলের ক্ষেত্রে কথা বলার কেউ থাকে না।কষ্ট লুকিয়ে রাখতে হয় তাদেরকে। ভুলে যাও বা শক্ত হও, এই উপদেশেই আটকে যায় সব। এই চাপ দীর্ঘদিন জমতে জমতে মানসিক বিচ্ছিন্নতা তৈরি করে।
৪) কর্মজীবন ও দায়িত্বের চাপ! পুরুষতান্ত্রিক হিসেবে সমাজ এখনো অনেক ক্ষেত্রে ছেলেদের কাছ থেকে প্রত্যাশা করে পরিবার চালানো, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সিদ্ধান্তের ভার নেওয়া ইত্যাদি। এই দায়িত্বের চাপে ছেলেরা ধীরে ধীরে বন্ধুদের থেকে দূরে সরে যায়। নিজের জন্য রাখা সময় হারায়।সম্পর্ক রক্ষাকে দ্বিতীয় স্থানে রাখে তারা। ফলে সামাজিক পরিসর তাদের ছোট হয়ে আসে।
৫) ডিজিটাল সংযোগ, কিন্তু বাস্তব বিচ্ছিন্নতা! সোশ্যাল মিডিয়ায় হাজারো মানুষ, অথচ গভীর কথা বলার কেউ নেই। অনুভূতি প্রকাশের নিরাপদ জায়গা নেই। অনলাইন উপস্থিতি অনেক ছেলের একাকিত্ব ঢেকে রাখে, কিন্তু সারায় না।
একাকিত্ব ছেলেদের উপর কী প্রভাব ফেলে?
১) মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায়। দীর্ঘদিনের একাকিত্ব থেকে তৈরি হতে পারে দীর্ঘস্থায়ী মন খারাপ, আত্মমূল্যবোধ কমে যাওয়া, আগ্রহ হারিয়ে ফেলা ইত্যাদি। অনেক ক্ষেত্রে এটি বিষণ্নতার দিকে গড়াতে পারে।
২) রাগ, বিরক্তি ও আবেগের বিস্ফোরণ! যে আবেগ প্রকাশ পায় না, তা চাপ হয়ে জমে। ফলে দেখা যায় অকারণে রাগ, সম্পর্ক নষ্ট হওয়া, নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া ইত্যাদি। একে অনেক সময় ভুলভাবে খারাপ স্বভাব হিসেবে চিন্তা করা হয়।
৩) শারীরিক স্বাস্থ্যের প্রভাব! একাকিত্ব শুধু মনেই নয়, শরীরেও প্রভাব ফেলে।ঘুমের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, ক্লান্তি, ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হওয়া এবং মানসিক চাপ দীর্ঘদিন থাকলে শরীরও ভেঙে পড়ে।
৪) আত্মবিচ্ছিন্নতা ও ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ! কিছু ছেলের ক্ষেত্রে একাকিত্ব থেকে অতিরিক্ত ধূমপান, মাদক ব্যবহার, ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত ইত্যাদি আচরণ দেখা দিতে পারে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।
কেন ছেলেদের একাকিত্ব চোখে পড়ে না?
ছোট থেকেই আমাদের ছেলেরা শিখেছে কিভাবে মুখে হাসি ধরে রাখতে হয়, সমস্যাকে একা সামলাতে হয়, নিজের সমস্যা তো বড় করে না দেখা ইত্যাদি। সমাজও অনেক সময় ছেলেদের কষ্টকে গুরুত্ব দেয় না। ফলে একাকিত্ব চুপচাপেই বেড়ে ওঠে।
সমাধান কোথায়?
১) আবেগ প্রকাশকে স্বাভাবিক করতে হবে।ছেলেদের শেখাতে হবে কষ্টের কথা বলা দুর্বলতা নয়, সাহায্য চাওয়া লজ্জার নয়, পরিবার ও বন্ধুমহলে এই সংস্কৃতি তৈরি করা জরুরি।
২) বন্ধুত্বের ধরন বদলাতে হবে! শুধু আড্ডা নয় অনুভূতির কথাও বলা, ব্যর্থতা ও ভয় শেয়ার করা এমন বন্ধুত্ব রাখতে হবে। এমন বন্ধুত্ব একাকিত্ব কমাতে বড় ভূমিকা রাখে।
৩) নিজের জন্য সময় তৈরি করতে হবে! কাজ আর দায়িত্বের বাইরে নিজের পছন্দের কাজ, শরীরচর্চা, বই পড়া বা লেখা এসবের অনুশীলন করতে হবে। এসব আত্মসংযোগ বাড়ায়।
৪) পেশাদার সহায়তা নেওয়াকে স্বাভাবিক করতে হবে। মানসিক চাপ বা দীর্ঘ একাকিত্ব হলে কাউন্সেলিং, মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তাকে লুকানোর বিষয় না বানিয়ে, প্রয়োজনীয় যত্ন হিসেবে দেখা দরকার।
ছেলেদের একাকিত্ব কমাতে সমাজকে প্রথমেই পুরুষের আবেগকে স্বীকৃতি দিতে হবে। একাই সব সামলাতে হবে, এই চাপ কমাতে হবে। কথা বলার নিরাপদ জায়গা তৈরি করতে হবে। একজন ছেলে যখন কথা বলতে পারে, তখন সে শুধু নিজেরই নয়, আশপাশের সম্পর্কগুলোকেও বাঁচায়।
ছেলেদের একাকিত্ব চিৎকার করে আসে না, দরজায় কড়া নাড়ে না। এটি আসে নিঃশব্দে, দীর্ঘ নীরবতার ভেতর দিয়ে। বাইরে থেকে স্বাভাবিক জীবন চললেও ভেতরে জমে থাকে শূন্যতা, অব্যক্ত কষ্ট আর বিচ্ছিন্নতার ভার। এই একাকিত্ব কোনো ব্যক্তিগত ব্যর্থতা নয়। এটি সামাজিক কাঠামো, প্রত্যাশা ও নীরবতার ফল। ছেলেদের কষ্ট বোঝা, শোনা এবং গুরুত্ব দেওয়া মানে শুধু একজন মানুষকে নয়, একটি সমাজকে সুস্থ করার পথে এগোনো। একাকিত্ব কমে তখনই, যখন নির্দ্বিধায় বলা যায়, “আমি ভালো নেই”!আর সেটি পক্ষপাতহীনভাবে শোনার মতো কেউ থাকে।