{{ news.section.title }}
নিজের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব,মন ও সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার গোপন শক্তি!
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
আমরা বাহিরে অন্যদের সাথে যত কথা বলি, তার চেয়েও বেশি কথা বলি নিজের ভেতরে। প্রতিটি সিদ্ধান্তের আগে, প্রতিটি ভুলের পর, প্রতিটি সাফল্যের মুহূর্তে, মনের ভেতরে একটি কণ্ঠস্বর কথা বলে চলে। কখনো সেই কণ্ঠস্বর মানুষকে সাহস দেয়, আবার কখনো ভেঙে দেয় আত্মবিশ্বাস। মনোবিজ্ঞান বলছে, এই ভেতরের কথোপকথনই হলো Self-Talk, আর যখন সেই কথোপকথন হয় সহানুভূতিশীল, বাস্তবসম্মত ও উৎসাহব্যঞ্জক, তখন তাকে বলা হয় Positive Self-Talk। সাম্প্রতিক গবেষণা ও মানসিক স্বাস্থ্য বিশ্লেষণগুলো স্পষ্ট করে দিচ্ছে, নিজের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব শুধু ভালো লাগার বিষয় নয়, বরং এটি মানুষের মানসিক সুস্থতা, কাজের দক্ষতা এবং জীবনের গুণগত মান নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
Self-Talk আসলে কী?
Self-Talk বলতে বোঝায় নিজের সঙ্গে নিজের চলমান মানসিক সংলাপ। এটি হতে পারে সচেতন বা অচেতন দুইভাবেই। কেউ পরীক্ষার আগে মনে মনে বলে,“আমি পারব না,” আবার কেউ বলে, “আমি চেষ্টা করব, যতটা পারি।” এই দুই ধরনের বাক্য বাহ্যিকভাবে ছোট মনে হলেও, এর মানসিক প্রভাব সম্পূর্ণ ভিন্ন রকমের। গবেষণা দেখায়, মানুষ প্রতিদিন হাজার হাজার Self-Talk-এর মাধ্যমে নিজের সক্ষমতা, মূল্যবোধ ও পরিচয় সম্পর্কে ধারণা গড়ে তোলে।
মনোবিজ্ঞানের ভাষায়, Positive Self-Talk সরাসরি মস্তিষ্কের তথ্য প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির সঙ্গে যুক্ত। যখন মানুষ নিজের সম্পর্কে ইতিবাচক ও বাস্তবসম্মত কথা বলে, তখন মস্তিষ্কে স্ট্রেস-সংক্রান্ত হরমোনের মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম সক্রিয় হয়। একই সঙ্গে মনোযোগ, স্মৃতি ও সমস্যা সমাধান ক্ষমতার সঙ্গে জড়িত স্নায়বিক কার্যক্রম আরও স্থিতিশীল হয়। অর্থাৎ Positive Self-Talk কোনো কল্পনাপ্রসূত আশাবাদ নয়, বরং মস্তিষ্কের কার্যকারিতার সঙ্গে যুক্ত একটি মানসিক প্রক্রিয়া।
নেতিবাচক Self-Talk কেন এত স্বাভাবিক?
অনেকের মনে প্রশ্ন আসে, যদি ইতিবাচক Self-Talk এত উপকারী হয়, তবে মানুষ স্বাভাবিকভাবে নেতিবাচক কথা বেশি বলে কেন? গবেষকদের মতে, এর একটি বড় কারণ হলো মানুষের মস্তিষ্কের নেগেটিভিটি বায়াস। বিপদ, ভুল বা সমালোচনাকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতা আদিম সময় থেকেই মানুষের মধ্যে ছিল, কারণ তখন তা টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় ছিল। কিন্তু আধুনিক জীবনে এই প্রবণতা অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় মানসিক চাপ তৈরি করে। ফলে ছোট ভুলকেও মানুষ নিজের অযোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে ধরে নেয়।
নিজের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব কীভাবে গড়ে ওঠে?
Positive Self-Talk মানে নিজের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করেও নিজেকে অসম্মান না করা। উদাহরণস্বরূপ, “আমি সবসময় ভুল করি” বলার বদলে “আমি ভুল করেছি, কিন্তু এখান থেকে শিখতে পারি”, এই ভাষাগত পরিবর্তনই Self-Talk-এর প্রকৃতি বদলে দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ভাষার এই সূক্ষ্ম পরিবর্তন মস্তিষ্কে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া তৈরি করে এবং আত্মসম্মান বজায় রাখতে সহায়তা করে।
মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও হতাশার সঙ্গে নেতিবাচক Self-Talk-এর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। যারা নিজের সঙ্গে কঠোর ভাষায় কথা বলে, তাদের মধ্যে মানসিক ক্লান্তি ও আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি বেশি দেখা যায়। অন্যদিকে, Positive Self-Talk মানসিক চাপ মোকাবিলায় একটি কার্যকর কৌশল হিসেবে কাজ করে। এটি সমস্যা দূর করে না, কিন্তু সমস্যার মুখোমুখি হওয়ার মানসিক শক্তি বাড়ায়।
Positive Self-Talk শুধু আবেগের বিষয় নয়, এটি কাজের ফলাফলেও বেশ প্রভাব ফেলে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিজের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করে, তারা ব্যর্থতার পর দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে। তারা ভুলকে শেখার সুযোগ হিসেবে দেখে, ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণে তারা তুলনামূলকভাবে স্থির ও বাস্তবসম্মত থাকে। কর্মক্ষেত্রে চাপের মুহূর্তে এই মানসিকতা কর্মদক্ষতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।
শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে Self-Talk-এর প্রভাব আরও বেশি। নেতিবাচক Self-Talk শেখার আগ্রহ নষ্ট করে দেয়।শিক্ষা-মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় দেখা যায়, ইতিবাচক Self-Talk শেখার স্থায়িত্ব ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সহায়ক।
নিজের প্রতি মনোভাব অন্যদের সঙ্গে সম্পর্কের ওপরও প্রভাব ফেলে। যারা নিজের প্রতি সবসময় নেতিবাচক থাকে, তারা অনেক সময় অন্যের কথাকেও সমালোচনা হিসেবে গ্রহণ করে। এতে সম্পর্কের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি বাড়ে। Positive Self-Talk মানুষকে আত্মসম্মানবোধ দেয়, যা সুস্থ সীমা নির্ধারণ ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখতে সহায়ক।
একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো যে, Positive Self-Talk কি বাস্তবতাকে উপেক্ষা করা? মনোবিজ্ঞান বলছে, এটি অযৌক্তিক আশাবাদ না, বরং বাস্তবতার ভেতরেই সম্ভাবনা খোঁজা। নিজের দুর্বলতা স্বীকার করেও নিজেকে অযোগ্য বলা থেকে বিরত থাকাই হলো এর মূল কথা। অর্থাৎ Positive Self-Talk বাস্তবসম্মত, কিন্তু আত্মবিনাশী নয়।
Positive Self-Talk একদিনে তৈরি হয় না। এটি একটি মানসিক অভ্যাস। নিয়মিতভাবে নিজের চিন্তাকে পর্যবেক্ষণ করে ভাষা বদলানোর চেষ্টা করলে ধীরে ধীরে মস্তিষ্ক নতুন প্যাটার্ন গ্রহণ করে। শুরুতে এটি কৃত্রিম মনে হলেও, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি স্বাভাবিক হয়ে ওঠে।
অনেক সমাজে নিজেকে কঠোরভাবে বিচার করাকে দায়িত্বশীলতা হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু গবেষণা বলছে, অতিরিক্ত আত্মসমালোচনা মানুষকে উন্নতির পথে ঠেলে না, বরং মানসিকভাবে দুর্বল করে। তাই Positive Self-Talk ব্যক্তিগত বিষয় হলেও, এর পেছনে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনও প্রয়োজন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যদের সাফল্য, সৌন্দর্য বা জীবনযাপন দেখে নিজের সঙ্গে তুলনা করা এখন স্বাভাবিক ঘটনা। এই তুলনা নেতিবাচক Self-Talk বাড়িয়ে দেয়।সচেতনভাবে নিজের ভেতরের ভাষা নিয়ন্ত্রণ না করলে এই ডিজিটাল পরিবেশ মানসিক চাপ বাড়াতে পারে।
Positive Self-Talk-এর প্রভাব শুধু তাৎক্ষণিক নয়। দীর্ঘমেয়াদে এটি মানুষের আত্মসম্মান, মানসিক স্থিতি এবং জীবন সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলে। যারা নিজের প্রতি সহানুভূতিশীল, তারা সাধারণত জীবনের ওঠানামাকে তুলনামূলক শান্তভাবে গ্রহণ করতে পারে।
Positive Self-Talk আধুনিক জীবনের এক প্রয়োজনীয় দক্ষতা। নিজের ভেতরের কণ্ঠস্বর যদি সমর্থনমূলক হয়, তবে বাইরের প্রতিকূলতাও অনেক সময় মোকাবিলা করা সহজ হয়ে ওঠে। নিজের সঙ্গে এই ইতিবাচক কথোপকথনই শেষ পর্যন্ত মানুষকে এগিয়ে যাওয়ার সাহস জোগায়।
Self-Talk বলতে বোঝায় নিজের সঙ্গে নিজের চলমান মানসিক সংলাপ। এটি হতে পারে সচেতন বা অচেতন দুইভাবেই। কেউ পরীক্ষার আগে মনে মনে বলে,“আমি পারব না,” আবার কেউ বলে, “আমি চেষ্টা করব, যতটা পারি।” এই দুই ধরনের বাক্য বাহ্যিকভাবে ছোট মনে হলেও, এর মানসিক প্রভাব সম্পূর্ণ ভিন্ন রকমের। গবেষণা দেখায়, মানুষ প্রতিদিন হাজার হাজার Self-Talk-এর মাধ্যমে নিজের সক্ষমতা, মূল্যবোধ ও পরিচয় সম্পর্কে ধারণা গড়ে তোলে।
মনোবিজ্ঞানের ভাষায়, Positive Self-Talk সরাসরি মস্তিষ্কের তথ্য প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির সঙ্গে যুক্ত। যখন মানুষ নিজের সম্পর্কে ইতিবাচক ও বাস্তবসম্মত কথা বলে, তখন মস্তিষ্কে স্ট্রেস-সংক্রান্ত হরমোনের মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম সক্রিয় হয়। একই সঙ্গে মনোযোগ, স্মৃতি ও সমস্যা সমাধান ক্ষমতার সঙ্গে জড়িত স্নায়বিক কার্যক্রম আরও স্থিতিশীল হয়। অর্থাৎ Positive Self-Talk কোনো কল্পনাপ্রসূত আশাবাদ নয়, বরং মস্তিষ্কের কার্যকারিতার সঙ্গে যুক্ত একটি মানসিক প্রক্রিয়া।
নেতিবাচক Self-Talk কেন এত স্বাভাবিক?
অনেকের মনে প্রশ্ন আসে, যদি ইতিবাচক Self-Talk এত উপকারী হয়, তবে মানুষ স্বাভাবিকভাবে নেতিবাচক কথা বেশি বলে কেন? গবেষকদের মতে, এর একটি বড় কারণ হলো মানুষের মস্তিষ্কের নেগেটিভিটি বায়াস। বিপদ, ভুল বা সমালোচনাকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতা আদিম সময় থেকেই মানুষের মধ্যে ছিল, কারণ তখন তা টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় ছিল। কিন্তু আধুনিক জীবনে এই প্রবণতা অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় মানসিক চাপ তৈরি করে। ফলে ছোট ভুলকেও মানুষ নিজের অযোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে ধরে নেয়।
নিজের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব কীভাবে গড়ে ওঠে?
Positive Self-Talk মানে নিজের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করেও নিজেকে অসম্মান না করা। উদাহরণস্বরূপ, “আমি সবসময় ভুল করি” বলার বদলে “আমি ভুল করেছি, কিন্তু এখান থেকে শিখতে পারি”, এই ভাষাগত পরিবর্তনই Self-Talk-এর প্রকৃতি বদলে দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ভাষার এই সূক্ষ্ম পরিবর্তন মস্তিষ্কে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া তৈরি করে এবং আত্মসম্মান বজায় রাখতে সহায়তা করে।
মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও হতাশার সঙ্গে নেতিবাচক Self-Talk-এর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। যারা নিজের সঙ্গে কঠোর ভাষায় কথা বলে, তাদের মধ্যে মানসিক ক্লান্তি ও আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি বেশি দেখা যায়। অন্যদিকে, Positive Self-Talk মানসিক চাপ মোকাবিলায় একটি কার্যকর কৌশল হিসেবে কাজ করে। এটি সমস্যা দূর করে না, কিন্তু সমস্যার মুখোমুখি হওয়ার মানসিক শক্তি বাড়ায়।
Positive Self-Talk শুধু আবেগের বিষয় নয়, এটি কাজের ফলাফলেও বেশ প্রভাব ফেলে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিজের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করে, তারা ব্যর্থতার পর দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে। তারা ভুলকে শেখার সুযোগ হিসেবে দেখে, ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণে তারা তুলনামূলকভাবে স্থির ও বাস্তবসম্মত থাকে। কর্মক্ষেত্রে চাপের মুহূর্তে এই মানসিকতা কর্মদক্ষতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।
শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে Self-Talk-এর প্রভাব আরও বেশি। নেতিবাচক Self-Talk শেখার আগ্রহ নষ্ট করে দেয়।শিক্ষা-মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় দেখা যায়, ইতিবাচক Self-Talk শেখার স্থায়িত্ব ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সহায়ক।
নিজের প্রতি মনোভাব অন্যদের সঙ্গে সম্পর্কের ওপরও প্রভাব ফেলে। যারা নিজের প্রতি সবসময় নেতিবাচক থাকে, তারা অনেক সময় অন্যের কথাকেও সমালোচনা হিসেবে গ্রহণ করে। এতে সম্পর্কের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি বাড়ে। Positive Self-Talk মানুষকে আত্মসম্মানবোধ দেয়, যা সুস্থ সীমা নির্ধারণ ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখতে সহায়ক।
একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো যে, Positive Self-Talk কি বাস্তবতাকে উপেক্ষা করা? মনোবিজ্ঞান বলছে, এটি অযৌক্তিক আশাবাদ না, বরং বাস্তবতার ভেতরেই সম্ভাবনা খোঁজা। নিজের দুর্বলতা স্বীকার করেও নিজেকে অযোগ্য বলা থেকে বিরত থাকাই হলো এর মূল কথা। অর্থাৎ Positive Self-Talk বাস্তবসম্মত, কিন্তু আত্মবিনাশী নয়।
Positive Self-Talk একদিনে তৈরি হয় না। এটি একটি মানসিক অভ্যাস। নিয়মিতভাবে নিজের চিন্তাকে পর্যবেক্ষণ করে ভাষা বদলানোর চেষ্টা করলে ধীরে ধীরে মস্তিষ্ক নতুন প্যাটার্ন গ্রহণ করে। শুরুতে এটি কৃত্রিম মনে হলেও, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি স্বাভাবিক হয়ে ওঠে।
অনেক সমাজে নিজেকে কঠোরভাবে বিচার করাকে দায়িত্বশীলতা হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু গবেষণা বলছে, অতিরিক্ত আত্মসমালোচনা মানুষকে উন্নতির পথে ঠেলে না, বরং মানসিকভাবে দুর্বল করে। তাই Positive Self-Talk ব্যক্তিগত বিষয় হলেও, এর পেছনে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনও প্রয়োজন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যদের সাফল্য, সৌন্দর্য বা জীবনযাপন দেখে নিজের সঙ্গে তুলনা করা এখন স্বাভাবিক ঘটনা। এই তুলনা নেতিবাচক Self-Talk বাড়িয়ে দেয়।সচেতনভাবে নিজের ভেতরের ভাষা নিয়ন্ত্রণ না করলে এই ডিজিটাল পরিবেশ মানসিক চাপ বাড়াতে পারে।
Positive Self-Talk-এর প্রভাব শুধু তাৎক্ষণিক নয়। দীর্ঘমেয়াদে এটি মানুষের আত্মসম্মান, মানসিক স্থিতি এবং জীবন সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলে। যারা নিজের প্রতি সহানুভূতিশীল, তারা সাধারণত জীবনের ওঠানামাকে তুলনামূলক শান্তভাবে গ্রহণ করতে পারে।
Positive Self-Talk আধুনিক জীবনের এক প্রয়োজনীয় দক্ষতা। নিজের ভেতরের কণ্ঠস্বর যদি সমর্থনমূলক হয়, তবে বাইরের প্রতিকূলতাও অনেক সময় মোকাবিলা করা সহজ হয়ে ওঠে। নিজের সঙ্গে এই ইতিবাচক কথোপকথনই শেষ পর্যন্ত মানুষকে এগিয়ে যাওয়ার সাহস জোগায়।