{{ news.section.title }}
অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা: নীতিগত স্বীকৃতি, বাস্তবতায় প্রতিবন্ধী শিশুর সংগ্রাম!
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
একটি শিশুর জন্য বিদ্যালয় মানে পরিচয় গড়ে ওঠা, আত্মবিশ্বাস তৈরি হওয়া এবং সমাজের সঙ্গে প্রথম গভীর সংযোগ। কিন্তু সব শিশুর জন্যই কি এই সুযোগ সমান? শারীরিক, বুদ্ধিবৃত্তিক কিংবা সংবেদনগত প্রতিবন্ধকতা থাকা বহু শিশু আজও শিক্ষার মূল স্রোত থেকে পিছিয়ে পড়ে। এই বাস্তবতার বিরুদ্ধে যে ধারণাটি ধীরে ধীরে বিশ্বজুড়ে গুরুত্ব পাচ্ছে, তা হলো Inclusive Education—অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা। অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) কেবল একটি শিক্ষানীতি নয়, এটি একটি মানবিক দর্শন, যেখানে বলা হয়, প্রতিবন্ধী শিশুদেরকে আলাদা নয়, বরং শিক্ষা ব্যবস্থাকেই এমন হতে হবে, যেখানে সব শিশু একসঙ্গে শিখতে পারে।
অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) কী?
অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) বলতে এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থাকে বোঝায়, যেখানে প্রতিবন্ধী ও অপ্রতিবন্ধী শিশুরা একই বিদ্যালয়ে, একই শ্রেণিকক্ষে, একই পরিবেশে শিক্ষা গ্রহণ করে। এখানে শিশুকে ব্যবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চাপ দেওয়া হয় না,উল্টো ব্যবস্থাকেই শিশুর প্রয়োজন অনুযায়ী বদলানো হয়।এই ধারণার মূল ভিত্তি হলো, প্রতিটি শিশুই শেখার যোগ্য, প্রতিটি শিশুই আলাদা, আর সেই আলাদা হওয়াই শিক্ষার শক্তি।
কেন আলাদা স্কুল নয়?
দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য আলাদা স্কুল বা বিশেষ শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমাধান হিসেবে দেখা হয়েছে। কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে, এই বিচ্ছিন্নতা অনেক সময় শিশুদের সামাজিকভাবে আরও পিছিয়ে দেয়। ব্যতিক্রমী স্কুলে পড়লে, শিশুরা সমাজের মূল ধারার সঙ্গে মিশতে পারে না,
পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহানুভূতি গড়ে ওঠে না। ভিন্ন হওয়ার অনুভূতিটা আরও তীব্র হয়। অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) এই ধারণাকেই চ্যালেঞ্জ করে। এটি বলে, শিশুদের আলাদা করে নয়, একসঙ্গে বড় হতে দিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতের সমাজ আরও মানবিক হয়।
প্রতিবন্ধকতা কোথায়?
অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) বাস্তবায়নের পথে সবচেয়ে বড় বাধা শুধু অবকাঠামোগত নয়। বাধা রয়েছে মানসিকতাতেও। অনেক বিদ্যালয়ে এখনও হুইলচেয়ার চলাচলের উপযোগী র্যাম্প নেই। শৌচাগার প্রতিবন্ধীবান্ধব নয়। শ্রেণিকক্ষের ভৌত বিন্যাসও অনুপযোগী। এই সীমাবদ্ধতা শিশুকে প্রতিদিন মনে করিয়ে দেয়, এই জায়গাটি তার জন্য তৈরি নয়।
অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) মানে শুধু শিশুদের একসঙ্গে বসানো নয়। এর জন্য প্রয়োজন এমন শিক্ষক, যারা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর শেখার ধরন বোঝেন এবং ধৈর্য ও ভিন্ন পদ্ধতিতে পাঠদান করাতে পারেন। শ্রেণিকক্ষে বৈচিত্র্যকে শক্তিতে রূপ দিতে জানেন কিন্তু বাস্তবে অনেক শিক্ষকই এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ পান না। তাছাড়া অনেক অভিভাবক এখনও মনে করেন, প্রতিবন্ধী শিশুর সঙ্গে পড়লে তাদের সন্তানের পড়াশোনার ক্ষতি হবে। এই ভ্রান্ত ধারণাই -এর পথে বড় দেয়াল হয়ে দাঁড়ায়।
অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) কেন শুধু প্রতিবন্ধী শিশুর জন্য নয়?
এই শিক্ষা পদ্ধতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এর সুফল শুধু প্রতিবন্ধী শিশুদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। একই শ্রেণিকক্ষে ভিন্ন সক্ষমতার শিশু একসঙ্গে পড়লে সকলের মধ্যেই সহানুভূতি ও মানবিকতা বাড়ে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মানসিকতা তৈরি হয়।
স্বাভাবিক ও অস্বাভাবিক এই বিভাজন ধীরে ধীরে ভেঙে যায়। সুস্থ এবং স্বাভাবিক শিশুরাও শিখতে পারে, সব মানুষ এক রকম নয়, তবু সবাই সমান মর্যাদার দাবিদার।
শিশুর মানসিক বিকাশে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education)-র প্রভাব!
প্রতিবন্ধী শিশুদের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) আত্মবিশ্বাস তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখে। আলাদা করে না রেখে, যখন তাকে স্বাভাবিক শিক্ষাপ্রবাহের অংশ হিসেবে দেখা হয় তখন, শিশুর আত্মমর্যাদা বৃদ্ধি পায়। সামাজিক যোগাযোগ দক্ষতা উন্নত হয় এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে আশা তৈরি হয়। এই শিক্ষা শিশুকে শুধু পাঠ্যবই শেখায় না, শেখায় সমাজে নিজের জায়গা তৈরি করতে।
নীতিমালা থাকলেও বাস্তবায়ন কেন কঠিন?
অনেক দেশেই অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) নীতিগতভাবে স্বীকৃত। কিন্তু বাস্তবায়নে নানা কারণে ঘাটতি রয়ে যায়। যেমন, পর্যাপ্ত বাজেটের অভাব, শিক্ষক প্রশিক্ষণে অগ্রাধিকার না দেওয়া, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের ঘাটতি। ফলে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) অনেক সময় কাগজে থাকলেও , শ্রেণিকক্ষে পৌঁছায় না।
অভিভাবকের ভূমিকা:
অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) সফল করতে অভিভাবকের ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি। প্রতিবন্ধী শিশুর অভিভাবকদের যেমন সাহস ও সচেতনতা দরকার, তেমনি সাধারণ শিশুর অভিভাবকদেরও প্রয়োজন মানসিক প্রস্তুতি। শিশুকে যদি ছোটবেলা থেকেই ভিন্নতাকে ভয় নয় বরং শেখার সুযোগ হিসেবে শেখানো হয়, তাহলে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) কেবল নীতিমালা নয়, বাস্তব চর্চায় পরিণত করা সম্ভব।
অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) ব্যবস্থা আসলে ভবিষ্যতের সমাজের একটি ছোট সংস্করণ। যেখানে কেউ পিছিয়ে পড়ে না। কেউ আলাদা হয়ে যায় না। সবাই নিজের সক্ষমতা নিয়ে এগিয়ে যায়। আজ যে শিশু একই বেঞ্চে বসে পড়ছে, আগামী দিনে সে কর্মক্ষেত্রেও সহকর্মীর ভিন্নতা মেনে নিতে শিখবে। এভাবেই অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) ধীরে ধীরে বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের ভিত্তি তৈরি করে।
অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) কোনো দয়ার বিষয় নয়, এটি একটি অধিকার। প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য সমান সুযোগের এই লড়াই আসলে মানবিক সমাজ গঠনের লড়াই। শিক্ষা যদি সত্যিই পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়, তবে সেই শিক্ষা কাউকে বাদ দিয়ে হতে পারে না। একই শ্রেণিকক্ষে, একই স্বপ্ন নিয়ে, একই ভবিষ্যতের পথে হাঁটার সুযোগ- ই অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education)-র মূল কথা। প্রতিবন্ধী শিশুদের অন্তর্ভুক্ত করা মানে সমাজকে দুর্বল করা নয়, সমাজকে আরও শক্ত, আরও সংবেদনশীল ও আরও ন্যায়ভিত্তিক করে তোলা।
অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) বলতে এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থাকে বোঝায়, যেখানে প্রতিবন্ধী ও অপ্রতিবন্ধী শিশুরা একই বিদ্যালয়ে, একই শ্রেণিকক্ষে, একই পরিবেশে শিক্ষা গ্রহণ করে। এখানে শিশুকে ব্যবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চাপ দেওয়া হয় না,উল্টো ব্যবস্থাকেই শিশুর প্রয়োজন অনুযায়ী বদলানো হয়।এই ধারণার মূল ভিত্তি হলো, প্রতিটি শিশুই শেখার যোগ্য, প্রতিটি শিশুই আলাদা, আর সেই আলাদা হওয়াই শিক্ষার শক্তি।
কেন আলাদা স্কুল নয়?
দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য আলাদা স্কুল বা বিশেষ শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমাধান হিসেবে দেখা হয়েছে। কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে, এই বিচ্ছিন্নতা অনেক সময় শিশুদের সামাজিকভাবে আরও পিছিয়ে দেয়। ব্যতিক্রমী স্কুলে পড়লে, শিশুরা সমাজের মূল ধারার সঙ্গে মিশতে পারে না,
পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহানুভূতি গড়ে ওঠে না। ভিন্ন হওয়ার অনুভূতিটা আরও তীব্র হয়। অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) এই ধারণাকেই চ্যালেঞ্জ করে। এটি বলে, শিশুদের আলাদা করে নয়, একসঙ্গে বড় হতে দিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতের সমাজ আরও মানবিক হয়।
প্রতিবন্ধকতা কোথায়?
অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) বাস্তবায়নের পথে সবচেয়ে বড় বাধা শুধু অবকাঠামোগত নয়। বাধা রয়েছে মানসিকতাতেও। অনেক বিদ্যালয়ে এখনও হুইলচেয়ার চলাচলের উপযোগী র্যাম্প নেই। শৌচাগার প্রতিবন্ধীবান্ধব নয়। শ্রেণিকক্ষের ভৌত বিন্যাসও অনুপযোগী। এই সীমাবদ্ধতা শিশুকে প্রতিদিন মনে করিয়ে দেয়, এই জায়গাটি তার জন্য তৈরি নয়।
অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) মানে শুধু শিশুদের একসঙ্গে বসানো নয়। এর জন্য প্রয়োজন এমন শিক্ষক, যারা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর শেখার ধরন বোঝেন এবং ধৈর্য ও ভিন্ন পদ্ধতিতে পাঠদান করাতে পারেন। শ্রেণিকক্ষে বৈচিত্র্যকে শক্তিতে রূপ দিতে জানেন কিন্তু বাস্তবে অনেক শিক্ষকই এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ পান না। তাছাড়া অনেক অভিভাবক এখনও মনে করেন, প্রতিবন্ধী শিশুর সঙ্গে পড়লে তাদের সন্তানের পড়াশোনার ক্ষতি হবে। এই ভ্রান্ত ধারণাই -এর পথে বড় দেয়াল হয়ে দাঁড়ায়।
অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) কেন শুধু প্রতিবন্ধী শিশুর জন্য নয়?
এই শিক্ষা পদ্ধতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এর সুফল শুধু প্রতিবন্ধী শিশুদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। একই শ্রেণিকক্ষে ভিন্ন সক্ষমতার শিশু একসঙ্গে পড়লে সকলের মধ্যেই সহানুভূতি ও মানবিকতা বাড়ে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মানসিকতা তৈরি হয়।
স্বাভাবিক ও অস্বাভাবিক এই বিভাজন ধীরে ধীরে ভেঙে যায়। সুস্থ এবং স্বাভাবিক শিশুরাও শিখতে পারে, সব মানুষ এক রকম নয়, তবু সবাই সমান মর্যাদার দাবিদার।
শিশুর মানসিক বিকাশে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education)-র প্রভাব!
প্রতিবন্ধী শিশুদের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) আত্মবিশ্বাস তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখে। আলাদা করে না রেখে, যখন তাকে স্বাভাবিক শিক্ষাপ্রবাহের অংশ হিসেবে দেখা হয় তখন, শিশুর আত্মমর্যাদা বৃদ্ধি পায়। সামাজিক যোগাযোগ দক্ষতা উন্নত হয় এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে আশা তৈরি হয়। এই শিক্ষা শিশুকে শুধু পাঠ্যবই শেখায় না, শেখায় সমাজে নিজের জায়গা তৈরি করতে।
নীতিমালা থাকলেও বাস্তবায়ন কেন কঠিন?
অনেক দেশেই অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) নীতিগতভাবে স্বীকৃত। কিন্তু বাস্তবায়নে নানা কারণে ঘাটতি রয়ে যায়। যেমন, পর্যাপ্ত বাজেটের অভাব, শিক্ষক প্রশিক্ষণে অগ্রাধিকার না দেওয়া, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের ঘাটতি। ফলে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) অনেক সময় কাগজে থাকলেও , শ্রেণিকক্ষে পৌঁছায় না।
অভিভাবকের ভূমিকা:
অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) সফল করতে অভিভাবকের ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি। প্রতিবন্ধী শিশুর অভিভাবকদের যেমন সাহস ও সচেতনতা দরকার, তেমনি সাধারণ শিশুর অভিভাবকদেরও প্রয়োজন মানসিক প্রস্তুতি। শিশুকে যদি ছোটবেলা থেকেই ভিন্নতাকে ভয় নয় বরং শেখার সুযোগ হিসেবে শেখানো হয়, তাহলে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) কেবল নীতিমালা নয়, বাস্তব চর্চায় পরিণত করা সম্ভব।
অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) ব্যবস্থা আসলে ভবিষ্যতের সমাজের একটি ছোট সংস্করণ। যেখানে কেউ পিছিয়ে পড়ে না। কেউ আলাদা হয়ে যায় না। সবাই নিজের সক্ষমতা নিয়ে এগিয়ে যায়। আজ যে শিশু একই বেঞ্চে বসে পড়ছে, আগামী দিনে সে কর্মক্ষেত্রেও সহকর্মীর ভিন্নতা মেনে নিতে শিখবে। এভাবেই অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) ধীরে ধীরে বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের ভিত্তি তৈরি করে।
অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education) কোনো দয়ার বিষয় নয়, এটি একটি অধিকার। প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য সমান সুযোগের এই লড়াই আসলে মানবিক সমাজ গঠনের লড়াই। শিক্ষা যদি সত্যিই পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়, তবে সেই শিক্ষা কাউকে বাদ দিয়ে হতে পারে না। একই শ্রেণিকক্ষে, একই স্বপ্ন নিয়ে, একই ভবিষ্যতের পথে হাঁটার সুযোগ- ই অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা (Inclusive Education)-র মূল কথা। প্রতিবন্ধী শিশুদের অন্তর্ভুক্ত করা মানে সমাজকে দুর্বল করা নয়, সমাজকে আরও শক্ত, আরও সংবেদনশীল ও আরও ন্যায়ভিত্তিক করে তোলা।