{{ news.section.title }}
জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের পক্ষে বিশ্বনেতাদের ঐক্য ও সমর্থন
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
জাতিসংঘে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের পক্ষে সমর্থন জানাতে সোমবার নিউইয়র্কে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দেন বিশ্বের কয়েক ডজন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান। গাজা যুদ্ধ শুরুর প্রায় দুই বছর পর এ বৈঠককে বিশেষ কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে অংশ নিয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার ঘোষণা দেন।
বৈঠকে বক্তব্য দেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেব এরদোগান, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ও জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বীকৃতিকে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি মনে করিয়ে দেন, তার সরকার ইতিমধ্যেই ২০২৪ সালে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এর পাশাপাশি লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, বেলজিয়াম ও মোনাকোসহ ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশ জাতিসংঘ সদস্য রাষ্ট্রের বৃহত্তর অংশের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছে, যারা দীর্ঘদিন ধরেই ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিয়েছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েল সরকার কঠোর অবস্থান নিয়ে বলেছে, কোনো ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র কখনও প্রতিষ্ঠিত হবে না। তেল আবিব দাবি করেছে, এ ধরনের পদক্ষেপ শান্তিপূর্ণ সমাধানের সম্ভাবনাকে নষ্ট করবে। গাজায় চলমান সামরিক অভিযানে ইসরায়েল বিশ্বব্যাপী সমালোচনার মুখে রয়েছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, এ পর্যন্ত ৬৫ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। বর্তমানে গাজা সিটিতে ইসরায়েলের ব্যাপক স্থল আক্রমণ অব্যাহত থাকায় যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ।
উল্লেখ্য, সোমবারের বৈঠক যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বর্জন করে। জাতিসংঘে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দেশে ফেরার পর বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে। অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার এ পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে।