{{ news.section.title }}
এপিস্টিন কেলেঙ্কারি ঢাকতে ট্রাম্পের কাছে শুল্ক ভিক্ষা চা বিক্রেতার!
- Author, জাগরণ ডেস্ক
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
পুরো দুনিয়ায় হইচই চলছে। এপিস্টিন কেলেঙ্কারিতে একের পর এক মহারতির নাম বেরিয়ে আসছে। রাষ্ট্রপ্রধান, বড় বড় ব্যবসায়ীদের বিতর্কিত আমলনামা বের হওয়া শুরু হতেই শুরু হয়েছে দৌড়ঝাঁপ, লবিং।এশিয়ার আরেক বিতর্কিত রাষ্ট্র প্রধান নরেন্দ্র মোদী পড়েছেন মহা বিপদে। এপিস্টিন কেলেঙ্কারিতে নাম আসার পরেই ভারত জুড়ে শুরু হয়েছে মোদি বিরোধী ক্যাম্পেইন। ভারতের বিশাল জনসংখ্যা মোদির ট্যারিফের পর থেকেই নাখোশ ছিলেন মোদির উপর। ট্রাম্পের ট্যারিফ আরোপের পর গতোমাসে ভারত পাল্টা ট্যারিফ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্রের উপর।এরই মাঝে হঠাৎ করে এপিস্টিন ফাইল প্রকাশ পাওয়ায় মোদির মসনদ কেঁপে উঠে।
নিজের মসনদ রক্ষা করতেই গোপনে ট্রাম্পের কাছে আবারো নত হয়েছেন মোদি। এপিস্টিন নথি বলছে ট্রাম্প খুশি করতে ইসরায়েল যেয়ে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর সামনে নেচেছেন মোদি।নাচার কারণ হিসেবে এপিস্টিন উল্লেখ করেছে ক্ষমতা দীর্ঘ মেয়াদ সংশ্লিষ্ট বিষয়। আবার যখন ক্ষমতার মসনদ নড়েচড়ে বসেছে ঠিক সেই সময় মোদি আবারো ট্রাম্পের কাছে ট্যারিফ মওকুফ চাইলেন। একাধিক সুত্র বলছে, দেশের বিক্ষুব্ধ জনগণের ক্ষোভকে শান্ত করতে ট্রাম্পের নানাবিধ শর্ত মেনে নিয়েছে মোদি।অন্যতম শর্ত ভেনেজুয়েলার তেল কেনা সহ রাশিয়ার সাথে বাণিজ্যিক ও কূটনীতিক দূরত্ব তৈরি। নিজের ক্ষমতা বাঁচাতে শেষ মুহুর্তে লবিস্টের মাধ্যমে ট্রাম্পের অনুগ্রহ পেয়েছেন মোদি।
এই বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছেন, ভারতের অর্থনৈতিকে টিকিয়ে রাখতে এই বৃহৎ পরিসরের জনগণের দেশটির উপর থেকে ট্যারিফ কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হবে। এই ঘোষণার পরেই ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছে নরেন্দ্র মোদী। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে মোদি বলেন, ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলতে পেরে আনন্দিত। ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের জন্য তিনি ট্রাম্পকে কৃতজ্ঞতা জানান। মোদি বলেন, দুই বৃহৎ অর্থনীতি ও বিশ্বের বৃহত্তম দুটি গণতান্ত্রিক দেশ একসঙ্গে কাজ করলে তা জনগণের জন্য সুফল বয়ে আনে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করে।মোদি আরও বলেন, বৈশ্বিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য ট্রাম্পের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ। শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তার উদ্যোগকে ভারত পূর্ণ সমর্থন দেয়।
