{{ news.section.title }}
গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ বিরোধী দেশগুলোকে নতুন শুল্কের হুমকি দিলেন ট্রাম্প
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণে বিরোধীতাকারী দেশগুলোকে নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় ব্রিটিশ সংবাদসংস্থা বিবিসি নিউজ।
প্রতিবেদনুসারে, গতকাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসে এক বৈঠকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যদি কোনো দেশ তার অবস্থানের বিরোধিতা করে, তবে তাদের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করতে পারি।“
তবে তিনি স্পষ্ট করেননি যে কোন কোন দেশ এ ধরনের শুল্কের আওতায় পড়তে পারে বা তার লক্ষ্য বাস্তবায়নে কোন আইনি কর্তৃত্বের ভিত্তিতে তিনি এই শুল্ক আরোপ করবেন।
গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক উভয়ই ট্রাম্পের এই অধিগ্রহণ পরিকল্পনার বিপক্ষে। ইউরোপের অনেক দেশও তাদের সমর্থন করছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের অনেকে এমন অধিগ্রহণ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে।
ট্রাম্প যখন গ্রিনল্যান্ড নিয়ে শুল্কের হুমকি দিলেন তখনও গ্রিনল্যান্ডের প্রতি সমর্থন জানাতে ডেমোক্র্যাট-রিপাবলিকান উভয় দলের ১১ জন কংগ্রেস সদস্য গ্রিনল্যান্ড সফর করেন।
এই প্রতিনিধি দল জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা গ্রিনল্যান্ডের সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন ও গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ইয়েন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেনের সঙ্গে বৈঠক করেন।
১১ সদস্যের এই দলটির নেতা, ডেমোক্র্যাট সেনেটর ক্রিস কুনস বলেন, তাদের সফরের উদ্দেশ্যই হচ্ছে স্থানীয়দের কথা শোনা এবং তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ওয়াশিংটনে নিয়ে যাওয়া যাতে ‘উত্তাপ কমানো যায়’।
এদিকে ট্রাম্প বলেছেন, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ, তাই ওয়াশিংটন এটি ‘সহজ বা কঠিন’ যে কোনো উপায়েই নেবে।
সহজ বলতে স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপটি ডেনমার্কের থেকে কিনে নেওয়া এবং কঠিন উপায় বলতে বলপ্রয়োগে দখল বোঝানো হয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন।
তবে ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ড ছাড়বে না বলে জানিয়েছে। ওয়াশিংটনকে সতর্ক করে ডেনমার্ক বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি দ্বীপটি দখলে সামরিক পদক্ষেপের কথা ভাবে তাহলে তা নেটোর কবর রচনা করবে।
গ্রামীন স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে হোয়াইট হাউসের শুক্রবারের বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, “যে দেশগুলো গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমাদের পক্ষে থাকবে না, তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি আমি, কারণ জাতীয় নিরাপত্তার জন্যই আমাদের গ্রিনল্যান্ড দরকার।”
উল্লেখ্য, গ্রিনল্যান্ডের জনসংখ্যা খুবই কম এবং দ্বীপটি প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর। উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিকের মাঝামাঝি অবস্থান হওয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা স্থাপন এবং এই অঞ্চলে চলাচলরত নৌযানের ওপর নজর রাখতে অঞ্চলটি উপযুক্ত।
বর্তমানে দ্বীপটির উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র পর্যবেক্ষণকারী স্টেশন, পিটুফিক ঘাঁটিতে শতাধিক মার্কিন সেনা অবস্থান করছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই গ্রিনল্যান্ডে স্থায়ী মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে।
তবে তিনি স্পষ্ট করেননি যে কোন কোন দেশ এ ধরনের শুল্কের আওতায় পড়তে পারে বা তার লক্ষ্য বাস্তবায়নে কোন আইনি কর্তৃত্বের ভিত্তিতে তিনি এই শুল্ক আরোপ করবেন।
গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক উভয়ই ট্রাম্পের এই অধিগ্রহণ পরিকল্পনার বিপক্ষে। ইউরোপের অনেক দেশও তাদের সমর্থন করছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের অনেকে এমন অধিগ্রহণ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে।
ট্রাম্প যখন গ্রিনল্যান্ড নিয়ে শুল্কের হুমকি দিলেন তখনও গ্রিনল্যান্ডের প্রতি সমর্থন জানাতে ডেমোক্র্যাট-রিপাবলিকান উভয় দলের ১১ জন কংগ্রেস সদস্য গ্রিনল্যান্ড সফর করেন।
এই প্রতিনিধি দল জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা গ্রিনল্যান্ডের সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন ও গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ইয়েন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেনের সঙ্গে বৈঠক করেন।
১১ সদস্যের এই দলটির নেতা, ডেমোক্র্যাট সেনেটর ক্রিস কুনস বলেন, তাদের সফরের উদ্দেশ্যই হচ্ছে স্থানীয়দের কথা শোনা এবং তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ওয়াশিংটনে নিয়ে যাওয়া যাতে ‘উত্তাপ কমানো যায়’।
এদিকে ট্রাম্প বলেছেন, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ, তাই ওয়াশিংটন এটি ‘সহজ বা কঠিন’ যে কোনো উপায়েই নেবে।
সহজ বলতে স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপটি ডেনমার্কের থেকে কিনে নেওয়া এবং কঠিন উপায় বলতে বলপ্রয়োগে দখল বোঝানো হয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন।
তবে ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ড ছাড়বে না বলে জানিয়েছে। ওয়াশিংটনকে সতর্ক করে ডেনমার্ক বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি দ্বীপটি দখলে সামরিক পদক্ষেপের কথা ভাবে তাহলে তা নেটোর কবর রচনা করবে।
গ্রামীন স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে হোয়াইট হাউসের শুক্রবারের বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, “যে দেশগুলো গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমাদের পক্ষে থাকবে না, তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি আমি, কারণ জাতীয় নিরাপত্তার জন্যই আমাদের গ্রিনল্যান্ড দরকার।”
উল্লেখ্য, গ্রিনল্যান্ডের জনসংখ্যা খুবই কম এবং দ্বীপটি প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর। উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিকের মাঝামাঝি অবস্থান হওয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা স্থাপন এবং এই অঞ্চলে চলাচলরত নৌযানের ওপর নজর রাখতে অঞ্চলটি উপযুক্ত।
বর্তমানে দ্বীপটির উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র পর্যবেক্ষণকারী স্টেশন, পিটুফিক ঘাঁটিতে শতাধিক মার্কিন সেনা অবস্থান করছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই গ্রিনল্যান্ডে স্থায়ী মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে।