{{ news.section.title }}
ট্রাম্পের হুমকি: পুতিনকে লক্ষ্য করে নতুন শুল্ক আরোপের ইঙ্গিত
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার চেষ্টা চলাকালীন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ওপর "খুবই রাগান্বিত" এবং "বিরক্ত" হয়ে পড়েছেন। এনবিসি নিউজের এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানিয়েছেন, পুতিন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির বিশ্বাসকে আক্রমণ করার জন্য তার ক্ষোভ বাড়িয়েছে। যুদ্ধবিরতিতে রাশিয়া যদি রাজি না হয়, তবে রাশিয়া থেকে তেল কেনা দেশগুলোর ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন তিনি।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জানুয়ারিতে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ট্রাম্প রাশিয়ার প্রতি আরো সমঝোতামূলক অবস্থান নিয়েছিলেন। তিনি ইউক্রেনে তিন বছর ধরে চলা যুদ্ধ শেষ করতে মধ্যস্থতার চেষ্টা শুরু করেছিলেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রস্তাবে যথেষ্ট অগ্রগতি না হওয়ায় ট্রাম্পের হতাশা বাড়ছে এবং তা প্রতিফলিত হয়েছে পুতিনকে নিয়ে তার এই তীব্র মন্তব্যে।
ট্রাম্প বলেছেন, "যদি আমি ইউক্রেনের রক্তপাত বন্ধে একটি চুক্তি করতে না পারি এবং মনে করি এটা রাশিয়ার দোষ, তাহলে আমি রাশিয়ার ওপর দ্বিতীয় পর্যায়ের শুল্ক আরোপ করব। রাশিয়া থেকে আসা সমস্ত তেলের ওপর শুল্ক আরোপ করা হবে।"
"আপনি যদি রাশিয়া থেকে তেল কেনেন, তাহলে আপনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা করতে পারবেন না," তিনি বলেন। "সব তেলের ওপর ২৫ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।"
ট্রাম্পের এই ঘোষণায় যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমা মিত্ররা ইতোমধ্যে সতর্ক হয়ে উঠেছেন। তারা ভয় করছেন যে এই নীতি রাশিয়ার সাথে সম্পর্ককে আরো জটিল করতে পারে এবং ইউক্রেনের যুদ্ধের সমাধানে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
এই প্রেক্ষিতে বিশ্ব রাজনীতিতে একটি নতুন মোড় আসতে পারে যখন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক আরো বিষাক্ত হয়ে উঠছে। প্রশ্ন রয়ে যাচ্ছে, এই হুমকি রাশিয়াকে আলোচনায় বসতে বাধ্য করবে নাকি এটি আরো বিবাদের সূচনা করবে?
ট্রাম্প বলেছেন, "যদি আমি ইউক্রেনের রক্তপাত বন্ধে একটি চুক্তি করতে না পারি এবং মনে করি এটা রাশিয়ার দোষ, তাহলে আমি রাশিয়ার ওপর দ্বিতীয় পর্যায়ের শুল্ক আরোপ করব। রাশিয়া থেকে আসা সমস্ত তেলের ওপর শুল্ক আরোপ করা হবে।"
"আপনি যদি রাশিয়া থেকে তেল কেনেন, তাহলে আপনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা করতে পারবেন না," তিনি বলেন। "সব তেলের ওপর ২৫ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।"
ট্রাম্পের এই ঘোষণায় যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমা মিত্ররা ইতোমধ্যে সতর্ক হয়ে উঠেছেন। তারা ভয় করছেন যে এই নীতি রাশিয়ার সাথে সম্পর্ককে আরো জটিল করতে পারে এবং ইউক্রেনের যুদ্ধের সমাধানে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
এই প্রেক্ষিতে বিশ্ব রাজনীতিতে একটি নতুন মোড় আসতে পারে যখন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক আরো বিষাক্ত হয়ে উঠছে। প্রশ্ন রয়ে যাচ্ছে, এই হুমকি রাশিয়াকে আলোচনায় বসতে বাধ্য করবে নাকি এটি আরো বিবাদের সূচনা করবে?