{{ news.section.title }}
দারুচিনি খাওয়ার ১২ উপকারিতা
- Author, জাগরণ নিউজ ডেস্ক
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
মসলা হিসেবে রান্নায় বহুল ব্যবহৃত দারুচিনি খাবারে যেমন সুগন্ধ ও স্বাদ বাড়ায়, তেমনি পুষ্টিগুণের দিক থেকেও এটি বেশ উপকারী। দারুচিনিতে ক্যালোরি, প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেটের পাশাপাশি রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। বিবিসিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে পুষ্টিবিদ জো লেউইন দারুচিনি খাওয়ার নানা উপকারিতার কথা তুলে ধরেছেন।
১. দারুচিনিতে পলিফেনল নামের উদ্ভিদ যৌগ রয়েছে, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে শরীরকে সুরক্ষা দেয় এবং সুস্থ থাকতে সহায়তা করে।
২. দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ কমাতে দারুচিনি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
৩. এতে থাকা সিনামালডিহাইড উপাদান ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়ক।
৪. ঠান্ডা ও কাশি উপশমে দারুচিনি উপকারী বলে পরিচিত।
৫. ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে দারুচিনি সাহায্য করে এবং রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
৬. দারুচিনির নির্যাস টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।
৭. বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্কের কোষের কার্যক্ষমতা কমে। দারুচিনিতে থাকা দুটি যৌগ মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং আলঝেইমারের মতো রোগের ঝুঁকি কমায়।
৮. নিয়মিত দারুচিনি খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে বলে কিছু গবেষণায় দাবি করা হয়েছে।
৯. দারুচিনি রক্তের ট্রাইগ্লিসারাইড ও কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে, ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
১০. এতে প্রিবায়োটিক বৈশিষ্ট্য থাকায় অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় থাকে এবং হজমে সহায়তা করে।
১১. কিছু প্রাণীজ গবেষণায় দেখা গেছে, দারুচিনির নির্যাস ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি কমাতে এবং টিউমারে রক্তনালির গঠন সীমিত করতে সক্ষম।
১২. দাঁতের ব্যথা, মুখে ব্যাকটেরিয়ার অতিরিক্ত বৃদ্ধি ও নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধসহ বিভিন্ন দাঁতের সমস্যায় দারুচিনি উপকার দিতে পারে।
পরিমিত মাত্রায় দারুচিনি খাদ্যতালিকায় রাখলে সুগন্ধের পাশাপাশি শরীরের নানা উপকার পাওয়া সম্ভব।