{{ news.section.title }}
আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কার পেল জবি শিক্ষার্থীর 'হোয়াট ইফ'
- Author, জবি প্রতিনিধি
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
চব্বিশতম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্যানোরমা ট্যালেন্ট সেকশনে বেস্ট ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড জিতেছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 'হোয়াট ইফ' (What If)। সিনেমাটির নির্মাতা তানহা তাবাসসুম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
গত রোববার (১৮ জানুয়ারি) জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে সেরা চলচ্চিত্রসহ বিভিন্ন বিভাগের পুরস্কারজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
তানহা তাবাসসুম বলেন, “এটা আমার বানানো প্রথম সিনেমা। আমাদের পাবলিক ট্রান্সপোর্টে যাতায়াতের সময় বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় এবং কীভাবে তা মোকাবিলা করা যায়, সেই ধারণার উপরই সিনেমাটি তৈরি। এটি আমার কাছে অনেক বড় একটি প্রাপ্তি। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ যারা আমাকে সবসময় সমর্থন করেছেন।”
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন হাসান আল সাবিত, তাসনিম শুচি, কাব্য রাহা, আলভী আবীব ও সাইন আহমেদ পবন। চলচ্চিত্রটির চিফ অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর ছিলেন আরিফুর রহমান এবং ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর ছিলেন রুদ্র ব্যানার্জি। এছাড়া কালার গ্রেডিং করেছেন মুরসালিন, সাউন্ড মিক্সিং ও ডিজাইন এর দায়িত্বে ছিলেন সৈকত সিনহা এবং ভোকাল আর্টিস্ট হিসেবে ছিলেন জান্নাতুল তোশা। চলচ্চিত্রটির এক্সিকিউটিভ প্রডিউসার ছিলেন আলভী আবীব এবং ক্রিয়েটিভ প্রডিউসার ছিলেন শাহ সাকিব সোবহান।
উল্লেখ্য, ‘নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ’ স্লোগানে গত ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ১৮ জানুয়ারি সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। এশিয়ার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই উৎসবে বিশ্বের ৯১টি দেশের ২৪৫টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়।
তানহা তাবাসসুম বলেন, “এটা আমার বানানো প্রথম সিনেমা। আমাদের পাবলিক ট্রান্সপোর্টে যাতায়াতের সময় বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় এবং কীভাবে তা মোকাবিলা করা যায়, সেই ধারণার উপরই সিনেমাটি তৈরি। এটি আমার কাছে অনেক বড় একটি প্রাপ্তি। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ যারা আমাকে সবসময় সমর্থন করেছেন।”
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন হাসান আল সাবিত, তাসনিম শুচি, কাব্য রাহা, আলভী আবীব ও সাইন আহমেদ পবন। চলচ্চিত্রটির চিফ অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর ছিলেন আরিফুর রহমান এবং ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর ছিলেন রুদ্র ব্যানার্জি। এছাড়া কালার গ্রেডিং করেছেন মুরসালিন, সাউন্ড মিক্সিং ও ডিজাইন এর দায়িত্বে ছিলেন সৈকত সিনহা এবং ভোকাল আর্টিস্ট হিসেবে ছিলেন জান্নাতুল তোশা। চলচ্চিত্রটির এক্সিকিউটিভ প্রডিউসার ছিলেন আলভী আবীব এবং ক্রিয়েটিভ প্রডিউসার ছিলেন শাহ সাকিব সোবহান।
উল্লেখ্য, ‘নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ’ স্লোগানে গত ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ১৮ জানুয়ারি সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। এশিয়ার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই উৎসবে বিশ্বের ৯১টি দেশের ২৪৫টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়।