{{ news.section.title }}
জবির দুই নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগ, থানায় জিডি
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নারী শিক্ষার্থীকে পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়া থানাধীন ধুপখোলা বাজারে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় দুই ব্যাক্তির বিরুদ্ধে।
আজ শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এ বিষয়ে গেন্ডারিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর একজন।
জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ৮টা ২০ মিনিটে সূত্রাপুর থানাধীন নিজ বাসা থেকে বাজার করতে ওই দুই শিক্ষার্থী ধুপখোলা বাজারে যান।
এ সময় খোকন (৪২) নামের এক ব্যক্তি তাদের পেছন থেকে ধাক্কা দেন এবং পরে অশালীন আচরণ ও খারাপ ভাষা ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে মারধরের হুমকিও দেওয়া হয় ওই দুই শিক্ষার্থীকে।
অভিযুক্ত ব্যাক্তির নাম খোকন। তিনি স্থানীয় শ্রমিক দলের বহিষ্কৃত নেতা বলে জানা গেছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্তাধীন থাকায় এখনো কাউকে দোষী হিসেবে চূড়ান্তভাবে চিহ্নিত করা হয়নি।
জকসু নবনির্বাচিত সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গতকাল রাতে আমি ঘটনাটা বিস্তারিত জেনেছি। আজকে দুপুরে থানায় গিয়ে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন অতিদ্রুত ব্যবস্থা নিবে বলে আমাদের আশ্বস্ত করেছে। আশা করছি যথাযথ বিচার হবে। নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা চলমান।
গেন্ডারিয়া থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করা হয়েছে এবং বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ৮টা ২০ মিনিটে সূত্রাপুর থানাধীন নিজ বাসা থেকে বাজার করতে ওই দুই শিক্ষার্থী ধুপখোলা বাজারে যান।
এ সময় খোকন (৪২) নামের এক ব্যক্তি তাদের পেছন থেকে ধাক্কা দেন এবং পরে অশালীন আচরণ ও খারাপ ভাষা ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে মারধরের হুমকিও দেওয়া হয় ওই দুই শিক্ষার্থীকে।
অভিযুক্ত ব্যাক্তির নাম খোকন। তিনি স্থানীয় শ্রমিক দলের বহিষ্কৃত নেতা বলে জানা গেছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্তাধীন থাকায় এখনো কাউকে দোষী হিসেবে চূড়ান্তভাবে চিহ্নিত করা হয়নি।
জকসু নবনির্বাচিত সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গতকাল রাতে আমি ঘটনাটা বিস্তারিত জেনেছি। আজকে দুপুরে থানায় গিয়ে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন অতিদ্রুত ব্যবস্থা নিবে বলে আমাদের আশ্বস্ত করেছে। আশা করছি যথাযথ বিচার হবে। নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা চলমান।
গেন্ডারিয়া থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করা হয়েছে এবং বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।