{{ news.section.title }}
চবিতে আরও এক ভুয়া শিক্ষার্থী আটক, দুই মাসে মোট তিনজন
- Author, চবি প্রতিনিধি
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) মোহাম্মদ আবু সাঈদ নামে এক ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক করেছে নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। গত দুই মাসে এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মোট তিনজন ভুয়া শিক্ষার্থী আটক হওয়ার ঘটনা ঘটল।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন এলাকা থেকে তাকে আটক করে শিক্ষার্থীরা। পরে তাকে প্রক্টর অফিসে সোপর্দ করা হয়। আটক আবু সাঈদের বাড়ি চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলায়। তার পিতার নাম আবদুর রহিম।
প্রত্যক্ষদর্শী ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মহসিউল জাহিদ জানান, আবু সাঈদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নৃবিজ্ঞান বিভাগের কয়েকজন শিক্ষককে নিয়ে ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা ও বিরূপ মন্তব্য করে পোস্ট দিচ্ছিল বলে তারা জানতে পারেন। বিষয়টি যাচাই করতে তার সঙ্গে কথা বললে তিনি নিজেকে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী বলে দাবি করেন। তবে ওই শিক্ষাবর্ষের কোনো শিক্ষার্থীই তাকে চিনতে পারেননি।
পরবর্তীতে পরিচয় নিশ্চিত করতে আইডি কার্ড দেখাতে বলা হলে তিনি মুঠোফোনে একটি আইডি কার্ডের ছবি দেখান। কিন্তু ওই আইডি কার্ডে থাকা নম্বর বিভাগের প্রচলিত আইডি নম্বরের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ছিল। এতে নিশ্চিত হওয়া যায়, সেটি ভুয়া আইডি কার্ড এবং তিনি প্রতারণার মাধ্যমে নিজেকে নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দিচ্ছিলেন। এরপর তাকে প্রক্টর অফিসে হস্তান্তর করা হয়।
তল্লাশিতে তার মুঠোফোনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। একই সঙ্গে একাধিক নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথোপকথন এবং বিভাগের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের আলামতও পাওয়া গেছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হোসেন শহীদ সরওয়াদী বলেন, নৃবিজ্ঞান বিভাগের নাম ব্যবহার করে পরিচয় দেওয়ার অভিযোগে শিক্ষার্থীরা ওই যুবককে আটক করেন। তার আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় বিষয়টি প্রক্টরিয়াল বডিকে জানানো হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বাবার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। মায়ের সঙ্গে কথা বললে তার বক্তব্যের সঙ্গে অভিযুক্ত যুবকের কথাবার্তার মিল পাওয়া যায়নি। যেহেতু তিনি বহিরাগত, তাই পরিস্থিতি বিবেচনায় তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে গত ২ ডিসেম্বর সীমান্ত ভৌমিক ও মিনহাজ নামে দুই ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। তাদের একজন নিজেকে মেরিন সায়েন্স বিভাগের ২০২৩-২৪ এবং অন্যজন অর্থনীতি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মহসিউল জাহিদ জানান, আবু সাঈদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নৃবিজ্ঞান বিভাগের কয়েকজন শিক্ষককে নিয়ে ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা ও বিরূপ মন্তব্য করে পোস্ট দিচ্ছিল বলে তারা জানতে পারেন। বিষয়টি যাচাই করতে তার সঙ্গে কথা বললে তিনি নিজেকে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী বলে দাবি করেন। তবে ওই শিক্ষাবর্ষের কোনো শিক্ষার্থীই তাকে চিনতে পারেননি।
পরবর্তীতে পরিচয় নিশ্চিত করতে আইডি কার্ড দেখাতে বলা হলে তিনি মুঠোফোনে একটি আইডি কার্ডের ছবি দেখান। কিন্তু ওই আইডি কার্ডে থাকা নম্বর বিভাগের প্রচলিত আইডি নম্বরের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ছিল। এতে নিশ্চিত হওয়া যায়, সেটি ভুয়া আইডি কার্ড এবং তিনি প্রতারণার মাধ্যমে নিজেকে নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দিচ্ছিলেন। এরপর তাকে প্রক্টর অফিসে হস্তান্তর করা হয়।
তল্লাশিতে তার মুঠোফোনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। একই সঙ্গে একাধিক নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথোপকথন এবং বিভাগের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের আলামতও পাওয়া গেছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হোসেন শহীদ সরওয়াদী বলেন, নৃবিজ্ঞান বিভাগের নাম ব্যবহার করে পরিচয় দেওয়ার অভিযোগে শিক্ষার্থীরা ওই যুবককে আটক করেন। তার আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় বিষয়টি প্রক্টরিয়াল বডিকে জানানো হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বাবার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। মায়ের সঙ্গে কথা বললে তার বক্তব্যের সঙ্গে অভিযুক্ত যুবকের কথাবার্তার মিল পাওয়া যায়নি। যেহেতু তিনি বহিরাগত, তাই পরিস্থিতি বিবেচনায় তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে গত ২ ডিসেম্বর সীমান্ত ভৌমিক ও মিনহাজ নামে দুই ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। তাদের একজন নিজেকে মেরিন সায়েন্স বিভাগের ২০২৩-২৪ এবং অন্যজন অর্থনীতি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন।