{{ news.section.title }}
গাঁজাসহ জাবি স্কুল এন্ড কলেজের ৬ শিক্ষার্থী আটক
- Author, জাবি প্রতিনিধি
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সুইমিং পুল এলাকা থেকে গাঁজাসহ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছয় শিক্ষার্থীকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখা।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ১২টা ৩০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মিনিটে সুইমিং পুল এলাকায় বসে কয়েকজন শিক্ষার্থী ধূমপান করছিলেন। এ সময় তাদের সঙ্গে থাকা দুজনকে গাঁজা প্রস্তুত করতে দেখা যায়। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর নজরে এলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপত্তা শাখাকে অবহিত করেন। সংবাদ পেয়ে নিরাপত্তা শাখার সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের আটক করে নিরাপত্তা শাখায় নিয়ে যান।
আটক শিক্ষার্থীরা হলেন—দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সানজিদা আফরিন শিফা এবং একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী এ্যান্জেলিনা হেলেন, মল্লিকা ফাতেমা, দিশা আক্তার, মিঠুন মাহাবুব ও মাহিন হাসান। তারা সবাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী।
নিরাপত্তা শাখা সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পরপরই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়। পরে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের ফোনে ঘটনা সম্পর্কে জানানো হয়। প্রথমবারের ঘটনা বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষার্থীদের সতর্ক করা হয়।
এ সময় আটক শিক্ষার্থীরা নিজেদের ভুল স্বীকার করে অনুতাপ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার অঙ্গীকার করেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার প্রধান ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার জেফরুল হাসান চৌধুরী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। এটি শিক্ষার্থীদের প্রথমবারের ঘটনা হওয়ায় অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
আটক শিক্ষার্থীরা হলেন—দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সানজিদা আফরিন শিফা এবং একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী এ্যান্জেলিনা হেলেন, মল্লিকা ফাতেমা, দিশা আক্তার, মিঠুন মাহাবুব ও মাহিন হাসান। তারা সবাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী।
নিরাপত্তা শাখা সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পরপরই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়। পরে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের ফোনে ঘটনা সম্পর্কে জানানো হয়। প্রথমবারের ঘটনা বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষার্থীদের সতর্ক করা হয়।
এ সময় আটক শিক্ষার্থীরা নিজেদের ভুল স্বীকার করে অনুতাপ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার অঙ্গীকার করেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার প্রধান ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার জেফরুল হাসান চৌধুরী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। এটি শিক্ষার্থীদের প্রথমবারের ঘটনা হওয়ায় অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”