{{ news.section.title }}
জাবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচন পিছিয়ে ২৮ জানুয়ারি
- Author, জাবি প্রতিনিধি
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শিক্ষক সমিতির ২০২৬ সালের কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন পূর্বনির্ধারিত ১৫ জানুয়ারির পরিবর্তে আগামী ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। পুনর্ঘোষিত নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী ওই দিনই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা হবে।
রবিবার (৪ জানুয়ারি ২০২৬) শিক্ষক সমিতির প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মো. আকতার মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
নির্বাচন পেছানোর কারণ সম্পর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মো. আকতার মাহমুদ জানান, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ ছিল এছাড়াও আগামী ১৮ জানুয়ারি থেকে ২২ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শীতকালীন বন্ধ থাকবে । একারণে শিক্ষকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ১৫টি পদের জন্য ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এসব পদের মধ্যে রয়েছে—সভাপতি ১টি, সহ-সভাপতি ১টি, কোষাধ্যক্ষ ১টি, সাধারণ সম্পাদক ১টি, যুগ্ম সম্পাদক ১টি এবং কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য ১০টি।
নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী আগামী ৫ জানুয়ারি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ভোটার তালিকা সংশোধনের লক্ষ্যে লিখিত আপত্তি আগামী ১২ জানুয়ারি দুপুর ১২টার মধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দিতে হবে। একই দিন বিকাল ৩টায় সংশোধিত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
এছাড়া, আগামী ১৫ জানুয়ারি সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে। ওই দিনই দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই কার্যক্রম চলবে এবং বিকাল ৩টা ১৫ মিনিটে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা
মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২২ জানুয়ারি দুপুর ১২টা পর্যন্ত। একই দিন বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।
এদিকে, আগামী ২৮ জানুয়ারি সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অফিসার ক্লাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর একই দিন বিকাল ২টা ৩০ মিনিটে ভোট গণনা শুরু হবে এবং গণনা শেষে নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করা হবে।
এছাড়াও, তিন সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন কমিশনের অপর দুই সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ইন্সটিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম এবং বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মামুন অর রশীদ।
নির্বাচন পেছানোর কারণ সম্পর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মো. আকতার মাহমুদ জানান, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ ছিল এছাড়াও আগামী ১৮ জানুয়ারি থেকে ২২ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শীতকালীন বন্ধ থাকবে । একারণে শিক্ষকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ১৫টি পদের জন্য ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এসব পদের মধ্যে রয়েছে—সভাপতি ১টি, সহ-সভাপতি ১টি, কোষাধ্যক্ষ ১টি, সাধারণ সম্পাদক ১টি, যুগ্ম সম্পাদক ১টি এবং কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য ১০টি।
নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী আগামী ৫ জানুয়ারি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ভোটার তালিকা সংশোধনের লক্ষ্যে লিখিত আপত্তি আগামী ১২ জানুয়ারি দুপুর ১২টার মধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দিতে হবে। একই দিন বিকাল ৩টায় সংশোধিত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
এছাড়া, আগামী ১৫ জানুয়ারি সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে। ওই দিনই দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই কার্যক্রম চলবে এবং বিকাল ৩টা ১৫ মিনিটে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা
মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২২ জানুয়ারি দুপুর ১২টা পর্যন্ত। একই দিন বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।
এদিকে, আগামী ২৮ জানুয়ারি সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অফিসার ক্লাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর একই দিন বিকাল ২টা ৩০ মিনিটে ভোট গণনা শুরু হবে এবং গণনা শেষে নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করা হবে।
এছাড়াও, তিন সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন কমিশনের অপর দুই সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ইন্সটিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম এবং বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মামুন অর রশীদ।