{{ news.section.title }}
আচরণবিধি লঙ্ঘন করে “অপরাজেয় ৭১, অদম্য ২৪” প্যানেলের মিছিল
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে বামপন্থী ৩টি সংগঠন সমর্থিত “অপরাজেয় ৭১, অদম্য ২৪” প্যানেলের বিরুদ্ধে। নির্বাচন কমিশনের অনুমতি না নিয়ে আচরণবিধির তোয়াক্কা না করে এই মিছিল করেন তারা।
আজ রবিবার দুপুরে প্যানেলের প্রার্থীরা মিছিল দিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করেন। মিছিলে প্যানেলের ভিপি প্রার্থী মো. নাইম হাসান হৃদয়, জিএস এনামুল হাসান অনয়, এজিএস অদিতি ইসলামসহ প্যানেলের অন্যান্য প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় তারা- ‘তরুণ সমাজের প্রথম ভোট, ৭১/২৪ এর পক্ষে হোক’; ডাকসু প্রথম ভোট, মুক্তিযুদ্ধ/অভ্যুত্থানের পক্ষে হোক ‘সবার সেরা পরিষদ, অপরাজেয় ৭১’- ইত্যাদি স্লোগান দেন।
সরজমিনে দেখা যায়, প্যানেলের প্রার্থীরা রঙিন ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে মিছিলে অংশ নিয়েছেন। এসময় তারা আচরণবিধি ভঙ্গ করে মাইকে স্লোগান দেন। তবে নির্বাচন কমিশন ও প্রক্টর অফিস জানিয়েছে এ বিষয়ে কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি।
ডাকসু আচরণবিধি ধারা ৬ এর (ক) অনুচ্ছেদ মতে, কোনো প্রার্থী বা তাঁর পক্ষে কোনো সভা/সমাবেশ/শোভাযাত্রা করতে চাইলে দিন, সময় ও স্থান উল্লেখপূর্বক চীফ রিটার্নিং অফিসার/সংশ্লিষ্ট হলের অফিসারের নিকট হতে লিখিত অনুমতি নিতে হবে।
(খ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী- সভা/সমাবেশ/শোভাযাত্রা করার অনুমতি অন্তত ২৪ ঘণ্টা পূর্বে গ্রহণ করতে হবে।
আচরণ বিধি অনুযায়ী সভা সমাবেশে মাইক ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে কিন্তু শোভাযাত্রা/মিছিলের অনুমতি নেই। আচরণবিধি ৬ ধারার (জ) অনুচ্ছেদে বলা হয়- শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকায় সভা, সমাবেশে ও অডিটোরিয়ামে মাইক ব্যবহার করা যাবে। তবে কোনোক্রমেই রাত ১০টার পরে মাইক ব্যবহার করা যাবে না।
অভিযোগের বিষয়ে প্যানেলের ভিপি প্রার্থী মো. নাইম হাসান হৃদয় বলেন, এটা প্রজেকশন মিটিংয়ের অংশ হিসেবে মিছিল করা হয়েছে। আমরা মধুর ক্যান্টিন থেকে প্রজেকশন মিটিং শুরু করে এফবিএস, কলা ভবন ঘুরে কার্জনে শেষ করি। মাইক ব্যবহার এটা স্বাভাবিক বিষয়। এর আগে অন্যান্য প্যানেল এভাবে মাইক ব্যবহার করে মিছিল করেছে। আমরা মনে করি এখানে কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হয়নি।
এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর রফিকুল ইসলাম বলেন, তারা যা করেছে সম্পূর্ণ আচরণবিধি লঙ্ঘন। তারা রঙিন ব্যানার ব্যবহার করেছে, মাইকে স্লোগান দিয়েছে। তারা মিছিল করার আগে আমাদের অনুমতিও নেয়নি।
চিফ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক ড. মো. জসীম উদ্দিন বলেন, এ বিষয়ে প্যানেল থেকে অনুমতি নেওয়া হয়নি। আমরা লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
এসময় তারা- ‘তরুণ সমাজের প্রথম ভোট, ৭১/২৪ এর পক্ষে হোক’; ডাকসু প্রথম ভোট, মুক্তিযুদ্ধ/অভ্যুত্থানের পক্ষে হোক ‘সবার সেরা পরিষদ, অপরাজেয় ৭১’- ইত্যাদি স্লোগান দেন।
সরজমিনে দেখা যায়, প্যানেলের প্রার্থীরা রঙিন ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে মিছিলে অংশ নিয়েছেন। এসময় তারা আচরণবিধি ভঙ্গ করে মাইকে স্লোগান দেন। তবে নির্বাচন কমিশন ও প্রক্টর অফিস জানিয়েছে এ বিষয়ে কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি।
ডাকসু আচরণবিধি ধারা ৬ এর (ক) অনুচ্ছেদ মতে, কোনো প্রার্থী বা তাঁর পক্ষে কোনো সভা/সমাবেশ/শোভাযাত্রা করতে চাইলে দিন, সময় ও স্থান উল্লেখপূর্বক চীফ রিটার্নিং অফিসার/সংশ্লিষ্ট হলের অফিসারের নিকট হতে লিখিত অনুমতি নিতে হবে।
(খ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী- সভা/সমাবেশ/শোভাযাত্রা করার অনুমতি অন্তত ২৪ ঘণ্টা পূর্বে গ্রহণ করতে হবে।
আচরণ বিধি অনুযায়ী সভা সমাবেশে মাইক ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে কিন্তু শোভাযাত্রা/মিছিলের অনুমতি নেই। আচরণবিধি ৬ ধারার (জ) অনুচ্ছেদে বলা হয়- শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকায় সভা, সমাবেশে ও অডিটোরিয়ামে মাইক ব্যবহার করা যাবে। তবে কোনোক্রমেই রাত ১০টার পরে মাইক ব্যবহার করা যাবে না।
অভিযোগের বিষয়ে প্যানেলের ভিপি প্রার্থী মো. নাইম হাসান হৃদয় বলেন, এটা প্রজেকশন মিটিংয়ের অংশ হিসেবে মিছিল করা হয়েছে। আমরা মধুর ক্যান্টিন থেকে প্রজেকশন মিটিং শুরু করে এফবিএস, কলা ভবন ঘুরে কার্জনে শেষ করি। মাইক ব্যবহার এটা স্বাভাবিক বিষয়। এর আগে অন্যান্য প্যানেল এভাবে মাইক ব্যবহার করে মিছিল করেছে। আমরা মনে করি এখানে কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হয়নি।
এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর রফিকুল ইসলাম বলেন, তারা যা করেছে সম্পূর্ণ আচরণবিধি লঙ্ঘন। তারা রঙিন ব্যানার ব্যবহার করেছে, মাইকে স্লোগান দিয়েছে। তারা মিছিল করার আগে আমাদের অনুমতিও নেয়নি।
চিফ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক ড. মো. জসীম উদ্দিন বলেন, এ বিষয়ে প্যানেল থেকে অনুমতি নেওয়া হয়নি। আমরা লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।