{{ news.section.title }}
পেছাতে পারে ডাকসু নির্বাচন!
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন পেছাতে পারে বলে গুঞ্জন উঠেছে। প্রার্থীদের মধ্যেও দেখা গেছে সংশয়।ডাকসু নির্বাচন কেন্দ্রীক গোয়েন্দা সংস্থার একটা প্রতিবেদন নিয়ে আলোচনা করছেন কেউ কেউ। এতে শেষ মূহুর্তে এক বা একধিক সংগঠন বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে ডাকসু নির্বাচন পেছানোর দাবি জানাতে পারে বলে উঠে এসেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নির্বাচনে যুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, অনেকে শংশয় প্রকাশ করছেন তবে আমরা নির্বাচন নির্ধারিত তারিকেই করতে চাই। এদিকে একাধিক নেতাও নির্বাচন বানচালের বিষয়ে বক্তব্য দিতে দেখা গেছে। আর কেউ বলছেন তারিখ পেছানো যাবে না। স্বতন্ত্র প্যানেল থেকে এজিএস নির্বাচন করা আল সাদি ভূঁইয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেন, আগামী ৯ সেপ্টেম্বরই ডাকসু নির্বাচন হতে হবে। একদিন সময়ও পেছানো যাবে না। লাউড এন্ড ক্লিয়ার। ছাত্র অধিকার পরিষদের প্যানেল থেকে এজিএস নির্বাচন করা রাকিবুল ইসলামও বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে নির্বাচন বানচালের বিষয়টি তুলে ধরেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, ডাকসুর আয়োজন যেকোনো বিবেচনায় চ্যালেঞ্জিং। আমরা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছি, সবার জন্য ভালো পরিবেশ তৈরি করে এগিয়ে যেতে। প্রতিনিয়ত কাজ করছি। গতকাল রাতেও ইলেকশন কমিশন, সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমসহ সবাইকে নিয়ে বসেছিলাম, হল প্রভোস্টরাও ছিলেন। সমস্যা সমাধানে প্রতিনিয়ত কাজ করছি। বড় দাগে যে কনসার্নগুলো এসেছে সেগুলোকে আমরা এক এক করে এড্রেস করার চেষ্টা করছি। নিখুঁত পরিবেশ আপেক্ষিক একটি বিষয়। এটা চলমান। নয় দশ মাস ধরে সবার সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে আমরা সবাই মিলে মাঠে নেমেছি। সমস্যা আসছে, সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছি। ছাত্রসংগঠনগুলো যে আচরণ করেছে তাতে আমরা আশাবাদী।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, ডাকসুর আয়োজন যেকোনো বিবেচনায় চ্যালেঞ্জিং। আমরা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছি, সবার জন্য ভালো পরিবেশ তৈরি করে এগিয়ে যেতে। প্রতিনিয়ত কাজ করছি। গতকাল রাতেও ইলেকশন কমিশন, সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমসহ সবাইকে নিয়ে বসেছিলাম, হল প্রভোস্টরাও ছিলেন। সমস্যা সমাধানে প্রতিনিয়ত কাজ করছি। বড় দাগে যে কনসার্নগুলো এসেছে সেগুলোকে আমরা এক এক করে এড্রেস করার চেষ্টা করছি। নিখুঁত পরিবেশ আপেক্ষিক একটি বিষয়। এটা চলমান। নয় দশ মাস ধরে সবার সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে আমরা সবাই মিলে মাঠে নেমেছি। সমস্যা আসছে, সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছি। ছাত্রসংগঠনগুলো যে আচরণ করেছে তাতে আমরা আশাবাদী।