{{ news.section.title }}
২০২৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ৬ জুন
আগামী বছরের ৬ জুন থেকে ২০২৭ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রস্তাবিত সময়সূচি অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ১৩ জুলাই। ইতোমধ্যে এ সূচি নির্ধারণ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষা কার্যক্রমকে আন্তর্জাতিক শিক্ষাবর্ষের সঙ্গে আরও সমন্বিত করতে এবং উচ্চশিক্ষায় ভর্তি প্রক্রিয়া সহজ করতে পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষাবোর্ড সূত্র জানিয়েছে, এটি আপাতত একটি প্রস্তাবিত সময়সূচি। বিশেষ প্রয়োজনে বা জাতীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় বোর্ড কর্তৃপক্ষ এ সূচিতে পরিবর্তন আনতে পারবে। তবে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির সুবিধার্থে আগেভাগেই সম্ভাব্য সময়সূচির ধারণা দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে এইচএসসি পরীক্ষা জুনের মধ্যে শেষ করতে চায় সরকার।
তিনি বলেন, ‘আমরা চাই আগামী বছর এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শুরু হোক এবং ১০ ফেব্রুয়ারি রোজা শুরুর কয়েকদিন আগেই পরীক্ষা শেষ করা যায়। এছাড়া এইচএসসি পরীক্ষাও জুনের মধ্যে শেষ করতে চাই, যাতে উচ্চশিক্ষায় ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা ফল সেমিস্টারে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়।’
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরেই পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচি নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে নানা ধরনের চাপ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছিল। বিশেষ করে করোনা মহামারির পর শিক্ষা ক্যালেন্ডারে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। এখন সরকার ধীরে ধীরে পরীক্ষাগুলোকে নিয়মিত সময়সূচিতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে।
এদিকে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে গতকাল বুধবার (১৩ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী প্রতিনিধি, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং দেশের সব শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় অংশীজনদের মতামত নেওয়া হয় এবং পাবলিক পরীক্ষা আরও সুশৃঙ্খল ও সময়োপযোগী করতে বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে আরও কিছু বিষয় পর্যালোচনা করা হতে পারে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সময়মতো পরীক্ষা শেষ হলে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কার্যক্রমও দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এতে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সেশনজট কমবে এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষাবর্ষের সঙ্গে সমন্বয় করাও সহজ হবে।