{{ news.section.title }}
১৭ মাসে সহিংসতার ঘটনা ৬০০ নেতাকর্মী নিহতের সংখ্যা কত ?
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
গণতান্ত্রিক দেশে ক্ষমতা পালা বদলের জন্য নির্বাচনের মাধ্যমে যেতে হয়। উন্নত দেশে নির্বাচন হয় সুষ্ট সুন্দর পদ্ধতিতে কিন্তু বাংলাদেশে যেন ব্যতিক্রম ঘটে। বরাবরের মতোই আমাদের দেশে নির্বাচন আসলে হানাহানি মারামারির সৃষ্টি হয়।
স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ শাসন ক্ষমতায় আসেন অন্তভুর্তি সরকার ডা। ইউনুস। ড.মোহাম্মদ ইউনুস ক্ষমতা নেওয়ার পর বাংলাদেশ রাজনৈতিক পরিবেশ নষ্ট হতে থাকে। বিভিন্ন দল গোষ্ঠী গুলো তাদের অধিকার আদায়ে প্রতিনিয়ত আন্দোলন করতে থাকে। আওয়ামিলীগের নেতা কর্মীরা মামলা থেকে বাঁচতে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে অনেকে।
আওয়ামীলীগ ক্ষমতা শূন্য হয়ে পড়লে বিএনপি জামাত এনসিপি রাজনৈতিক মাঠে ক্ষমতা ভাগাভাগি নিয়ে ধন্দে মেতেছে। এ ছাড়াও নিজ দলের নেতাকর্মীদের আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনা লক্ষ্য করা যায়। সরকারি তথ্য মতে এই পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে ১৫৮ জন রাজনৈতিক নেতা কর্মী নিহত হয়েছে। নির্বাচন কে ঘিরে সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। খুন ছিনতাই রাহাজানিসহ অসংখ্য অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে দেশে। রাজনৈতিক দল গুলোর মধ্যে বোঝাপড়া বাড়ছে।
শেষ মূহুর্তে যেন মৃত্যুর সংখ্যা দ্বিগুন হারে বাড়ছে যা খুব ই দুশ্চিন্তার বিষয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা নির্বাচনের পরে হয়তো দেশের পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসবে। কিন্তু যে পরিবার তাদের আপনজনকে হারিয়েছে তারা কি ফিরে পাবে তাদের। না কখনোই পাবে না। তাদের রয়ে যাবে ক্ষত, বেদনা যা কখনো ভুলতে পারবে না।দেশে ধর্মীয় সহিংসতার সংখ্যা ও বৃদ্ধি পেয়েছে। ময়মনসিংহে দিপু দাসের হত্যা কান্ড আমাদের সবার বিবেক কে নাড়িয়ে দিয়েছিলো।
ঢাকায় বিএনপি নেতা মুসাব্বির হত্যা কে আমরা দেখেছে। দিনে দুপুরে প্রকাশ্যে এ ভাবে একজন মানুষ কে কেউ মেরে ফেলবে কেউ ভাবতে পারেনি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের পর দেশে শান্তি ফিরে আসবে এই প্রত্যাশা রইল।